জুন ২২, ২০২৬

Month: নভেম্বর ২০১৯

মো: নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:: রবিবার পুলিশ লাইন মাসিক কল্যাণ সভায় অক্টোবর ২০১৯ মাসের নানা সফলতার জন্য ডিবি পুলিশের ওসি, বিভিন্ন টিম লিডার, এসআইসহ অন্যান্যদের মাদক, অস্ত্র উদ্ধার ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য এ সব পুরস্কার, নগদ অর্থ, সম্মাননা, সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দসহ গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা আবারো জেলায় শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার লাভ করেছেন। আজ জেলা পুলিশ মাসিক কল্যাণ সভায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসহ সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশের আলোচিত হত্যাকান্ড ময়মনসিংহের পাটগুদাম ব্রীজ মোড় থেকে মাথা, হাত ও পা বিহীন ব্রীফকেস ভর্তি দেহ উদ্ধার মামলার কয়েকদিনের মধ্যে রহস্য উদঘাটন,হত্যাকান্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন করায় জেলার শ্রেষ্ঠ উদ্ধারকারী ইউনিট নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা ডিবি পুলিশ।

এ লক্ষ্যে ডিবি পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দকে শ্রেষ্ট ওসি নির্বাচিত এবং ডিবি পুলিশকে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া এ মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই আক্রাম হোসেনকে এই মামলার রহস্য উদঘাটনের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখায় শ্রেষ্ঠ ডিটেক্ট অফিসার নির্বাচিত করা হয়।

এসআই আকরাম বলেন, এছাড়াও মাদক উদ্ধারে তার টিম জেলায় শ্রেষ্ঠ টিম হয়েছে। এছাড়া তিনি পিস্তল, গুলি, পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার করায় শ্রেষ্ট অস্ত্র উদ্ধারকারী অফিসার নির্বাাচিত হয়েছেন। ডিবি পুলিশ জানায় এসআই আনোয়ার হোসেন দ্বিতীয় সব্বোচ্য মাদক উদ্ধারকারী টিম হিসাবে পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছেন।

অপরদিকে এসআই আলাউদ্দিন, মনিরুজ্জামান, মাসুদ জামালী, পরিমল চন্দ্র সরকার মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটনসহ নানা সফলতার জন্য পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছেন। ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দসহ এ সব পুরস্কার প্রাপ্তরা পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) শাহ আবিদ হোসেনের কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার, সম্মাননা, সনদ, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ গ্রহণ করেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী, এস এ নেওয়াজী, হাফিজুর রহমান, আল আমিন, ডিআইওয়ান মোখলেছুর রহমান আকন্দ, কোতোয়ালীর ওসি মাহমুদুল ইসলাম, ডিবির ওসি শাহ আবিদ হোসেনসহ বিভিন্ন থানার ওসি সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

গরীবের শীত কাহন
– জাকারীয়া খালিদ

কারও নেই জাম্পার
কারো আছে বাম্পার,
শীতে কাঁপে গরীবে
অসহায় নিরবে।

কেউ খায় পিঠা পুলি
কারও আবার শুণ্য ঝুলি,
কেউ পাতে খালি হাত
পেতে দু মুঠো ভাত।

আশেপাশে দেখো ভাই
কত শত অসহায়,
বাড়িয়ে দাও হাত
নিয়ে এক মুঠো ভাত।

-আসুন এই শীতে অসহায় গরীবদের পাশে দাঁড়াই।

মো: নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:: গাজিপুরের শ্রীপুরে বহুল আলোচিত গত ১৬ নভেম্বর ২০১৯ইং তারিখে জৈনা বাজার এলাকায় দুটি স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় ২৩ নভেম্বর ২০১৯ইং তারিখে গাজীপুর জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে লুণ্ঠিত মালামাল ৪৩ ভরি সোনা ২ কেজি ৬০০ গ্রাম রুপা, নগদ ১,৫৬,৩২০ টাকাএবং ৭ টি ককটেল ১ টি মটরসাইকেল সহ ১০ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের গাজিপুর জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল কালিয়াকৈর, মুন্সিগন্জ, শতিয়াতপুর,পাবনা ও রাজবাড়ি থেকে পৃথক অভিযানে আটক করে।

তাদের দেওয়া তত্ত্ব অনুযায়ী গাজিপুর জেলা পুলিশ লুণ্ঠিত স্বর্ণ ও নগত অর্ধ উদ্ধার করতে ঢাকার ধামরাই আশুলিয়ায় অভিযানে নামে এবং সফলতার সহিত আজ ভোরে লুন্ঠিত মালামাল,নগত অর্থ, ডাকাতির সময় ব্যবহৃত ককটেল, গুলি পিস্তল ও ১ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।

গাজিপুর জেলা পুলিশের এই সল্প সময়ের মধ্যে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করছে তাতে জেলার সাধারন মানুষের কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

মো: নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:: ময়মনসিংহের শিল্পনগরী খ্যাত ভালুকার বিভিন্ন রাস্তার ফুটপাথ হকারদের দখলে। বাসট্যান্ডের ফুটপাত,হাসপাতাল রোডে প্রবেশদ্বারে অবৈধ হাটবাজারের পসরা বসে প্রতিদিন। গুরুত্বপূর্ণ এই রোডে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। বিশেষ করে এটি ভালুকা সরকারি হাসপাতালের একমাত্র রোড হওয়ায় প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই রোগীদের হাসপাতালে যেতে হয়। দখলদারদের অবৈধ পসরার কারনে রাস্তা সরু হয়ে গিয়ে যাতায়াত সমস্যা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তীব্র যানজট লেগেই থাকে দেখার কেউ নেই।

রাস্তার অনেকটা অংশ চলে গিয়েছে ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যাওয়ায় সরু হয়ে যাওয়া সেই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করে পণ্য বোঝাই ট্রাক। রাস্তায় দাঁড়িয়ে চলে পণ্য তোলা-নামা। এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই অসন্তোষ জানিয়ে আসছেন বাজার এবং হাসপাতালে যাতাযাতকারীরা ও রোডের আশপাশের বাসিন্দারা।

কিছু দিন পর পর এই বাজার নিয়ে ভ্রাম্মমান আদালত এসে তুলে দিয়ে গেলেও কিছুদিনের মধ্যেই কে বা কার ইশারায় তারা আবারও রাস্তা দখল করে বসে যায়। এতে কিছু লোকের পকেট ভারি হলেও দূর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ মানুষের, পথচারীদের! অতিরিক্ত যানজটের কারণে শব্দ দূষন, বায়ু দূষনত আছেই।

কিছুদিন পূর্বে পৌর মেয়র মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম উপস্থিত থেকে বাজার রোডে সব অবৈধ (হাট-বাজার)দখল উচ্ছেদ করে দেন। এর কিছুদিন পরে আবারও দখল হয়ে হাট-বাজার বসে।

ফুটপাত ও রাস্তার জায়গায় যেন কেউ প্রভাব খাটিয়ে দখল করতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি-আকর্ষন করেন সাধারন পথচারী ও ভোক্তোভুগিরা, তারা চায় এটার একটা স্থায়ী সমাধান হোক।

স্টাফ রিপোর্ট, ত্রিশাল প্রতিদিন:: ময়মনসিংহের ভালুকার ডাকাতিয়া ইউনিয়নে মুরহুম মেজর আফসার উদ্দিন স্মৃতি সংসদ কর্তৃক শহীদ স্মৃতি বিদ্যানিকেতন স্কুলের মেধাবৃত্তি ২০১৮ প্রধান করা হয়েছে।

মেধাবৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রদান অতিথি ছিলেন, ময়মনসিংহ ১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু, মনিরা সুলতানা এমপি, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ, স্থানীয় চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সহ অনেকেই।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সাংসদ কাজিম উদ্দিন ধনুকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরন করে নেন উক্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক মাস্টার সাহেব।

ত্রিশাল প্রতিদিন ডেস্ক:: চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত গাঁজা বিক্রয়কারী একটি কম্পানি এমন এক ব্যক্তিকে খুঁজছে যার কাজ হবে কোন গাঁজা কেমন স্বাদের,কোনটির কেমন গুণাগুণ,সেটা ঠিক মতো বলে দেওয়া। আর এই চাকুরির জন্য বেতন ধরা হয়েছে দুই লাখ ৫৪ হাজার টাকা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি ১৩ জানায়, ‘আমেরিকান মারিজুয়ানা’ বিভিন্ন ধরনের গাঁজা এবং ভাং জাতীয় দ্রব্য নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। আর এর জন্যই তারা একজন গাঁজা বিশেষজ্ঞকে খুঁজছে।

গাঁজা বিশেষজ্ঞকে তারা মাসে তিন হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় যা দুই লাখ ৫৪ হাজার চারশ ২০ টাকা) বেতন দিতে রাজি আছে।
আমেরিকান মারিজুয়ানার পাঠকরা এই ম্যাগাজিনের রিভিউয়ে বিভিন্ন ধরনের গাঁজা সম্পর্কে জানতে চান,তাদের এই বিশেষজ্ঞকে গাঁজা বা ভাংয়ের বিভিন্ন বাক্স পরীক্ষা করে সেইসব পাঠকদের মতামত দিতে হবে।

তবে এই চাকরির শর্ত হলো, প্রার্থীকে যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডায় বসবাস করতে হবে। কারণ, এখানে চিকিত্সার কাজে ব্যবহৃত গাঁজা ব্যবহার আইনসিদ্ধ। চাকরির বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই কেউ যদি ভাবেন, শুধু ধূমপান করার জন্য চাকরি পেতে চান, তবে এটি তার জন্য নয়। অ্যামেরিকান মারিজুয়ানার এডিটর ইন চিফ ডুয়াইট কে ব্লেক জানিয়েছেন, এরই মধ্যে তারা এই পদের জন্য তিন হাজারের বেশি আবেদনপত্র পেয়েছেন ।

ত্রিশাল প্রতিদিন ডেস্ক:: পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দর থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান এসে পৌঁছেছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। আজ ২০ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে একটি বেসরকারি সংস্থার পণ্য পরিবহনকারী উড়োজাহাজে করে এই চালান আমদানি করা হয়।

ঢাকার শাদ এন্টারপ্রাইজ নামের আমদানিকারকপ্রতিষ্ঠান চালানটি নিয়ে আসে। চালানটিতে ৮১ টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পেঁয়াজবাহী উড়োজাহাজটি অবতরণের পর চালানটি খালাসের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ঢাকা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন আজ বুধবার ত্রিশাল প্রতিদিনকে জানান, সিল্কওয়ে উড়োজাহাজের ‘সেভেন এল ৩০৮৬’ ফ্লাইটে পেঁয়াজের প্রথম চালানটি এসেছে। এখন দ্রুত শুল্কায়নের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৭ই অক্টোবর ও ১১ই নভেম্বর ত্রিশাল প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৯নং এনায়েতপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক সারোয়ার জাহান সুমন।

প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম গুলো ছিল, ফুলবাড়িয়ায় বেপরোয়া যুবলীগ সভাপতি সুমন রয়েছে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ এবং ফুলবাড়িয়া এনায়েতপুরের সম্রাট যুবলীগ সভাপতি সুমন।

প্রতিবাদে যুবলীগ সভাপতি সারোয়ার জাহান সুমন উল্লেখ করেন যে, তিনি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে মানুষের কল্যাণে কথা বলেছি এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সমুন্নত রাখার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি ত্রিশাল প্রতিদিন ডটকম নামক অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সংবাদ গুলোতে মাদক, চাঁদাবাজি এমনকি টাকার বিনিময়ে সভাপতি পদ পাওয়ার যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে তাতে তিনি বিস্ময় এবং উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন।

তিনি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উল্লেখ করেন, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদটি পরিবেশনের ক্ষেত্রে প্রতিবেদককে ভূল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়া হয়েছে। যেখানে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।

প্রতিবাদ পত্রে তিনি প্রকাশিত সংবাদ গুলোর তীব্র প্রতিবাদ জানান।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রকাশিত দুটি নিউজে প্রতিবেদকের কোনো নিজস্ব মত নেই। এ সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণাদি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।

মো: নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:: ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার আলোচিত রাওনা ইউনিয়ন পরিষদের তরুন চেয়ারম্যান সাহাবুল আলম। অল্প বয়সেই রাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন হয়ে এই ইউনিয়ন বাসীর মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তা, কালভার্ট, ব্রিজ,মসজিদ,মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন।

ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি ঘরের সুখ দুঃখের সাথী হিসাবে দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তরুণ এই চেয়ারম্যান। ভিজিএফ কার্ড, বয়স্ক ভাতার টাকা সহ সকল প্রকার অনুদান যথাযথ বন্টনের ব্যবস্থা নিজ হাতেই নিশ্চিত করে থাকেন বলে জানা গিয়েছে। সমগ্র ইউনিয়নে সাধারন মানুষের বিপদে আপদে সর্বদা পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

এলাকায় জুয়া, নেশা,মাদ্রকের আখড়া নিজের চেষ্টায় আইন-শৃখলা বাহিনির সহায়তায় বন্ধ করেছেন প্রায়।
রাওনা ইউনিয়ন ছিনতাইকারী, চোর ডাকাত ও অপরাধীদের আখড়া হিসাবে পরিচিত ছিলো গফরগাঁও উপজেলায়! কিন্তু তরুন সাহসী সাহাবুল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেন এবং যে কোন অন্যায়কারী বা অপরাধীকে নিজে ধরে পুলিশে দিয়েছেন। এখন রাওনা ইউনিয়ন গফরগাঁও উপজেলায় একটি আদর্শ ইউনিয়ন বলে পরিচিত।

রাওনা ইউনিয়নে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ুয়া শতাধিক ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ার ব্যয় ভার বহন করে যাচ্ছেন তিনি। বহুকালের জটিল ও কঠিন বিচার গুলো উভয় পক্ষের মাঝে তার নিজস্ব সততা বুদ্ধি দিয়ে সুন্দর ভাবে মিমাংসা করে যাচ্ছেন তিনি।

একজন মানুষ তার ইউনিয়নে অসুস্থ বা মারা গেলে খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ছুটে যান বাড়িতে আত্নীয় স্বজনদের শান্তনা দিতে।

ইউনিয়নের যেকোন ব্যক্তিই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, সেখানেই ছুটে যান সাহাবুল চেয়ারম্যান। একটি ইউনিয়নে দিন রাত মানুষের মাঝে এভাবে নিজেকে বিলীন করে মানবতার ফেরিওয়ালা গরীব অসহায় মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।

এলাকাবাসীর দাবী, গরীবের চেয়ারম্যান সাহাবুল যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন রাওনাবাসী চেয়ারম্যান হিসাবে তাকেই রায় দিবেন।

একজন মুরব্বির কাছে আগামী নির্বাচনে সাহাবুল ভাই কি বিজয়ী হতে পারবে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,এটি এখন বলা যাবেনা কারন সাহাবুলের সেবা এতটাই গভীরতা লাভ করেছে যে,এমন মানুষটিকে কে ভোট দিবেনা এটিই আমরা ভাবতে পারছি না।

যেখানে সমস্যা সেখানেই সাহাবুল তার মাঝেই সমাধান এটিই আমাদের চেয়ারম্যান।

একজন বৃদ্ধ মুরব্বী সাহাবুল সম্পর্কে বলেন, গতকাল ১৯ নভেম্বর ময়মনসিংহের চুরখাই হাসপাতালে দক্ষিণ দীঘার নজরুল দোকাদারকে দেখতে যান সাহাবুল আলম। তাকে সার্বিক সাহায্য সহযোগীতা করতে চিৎকিসায় নিজে ব্যয়ভার বহন করছেন। যা আমার ৫০ বছরে গফরগাঁওে কোন চেয়ারম্যানকে দেখিনি গরীব অসহায়কে বুকে নিতে, সাহায্য করতে। আমরা রাওনা ইউনিয়নবাসী সাহাবুলকে আজীবন চেয়ারম্যানের দায়িত্বে পাবো বলে সকলের বিশ্বাস করে।

স্টাফ রিপোর্টার, ত্রিশাল প্রতিদিন:: ময়মনসিংহের ভালুকায় পৌর সদরে সরকারি ডিগ্রি কলেজের পিছনে মাতৃছায়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলে পিএসসি সমাপনী পরিক্ষার বকেয়া বেতন পরিশোধ না করায় শাকিল খান নামের এক প্রাথমিক সমাপনী (পিএসসি) পরিক্ষার্থীকে প্রবেশ পত্র দেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। এতে প্রাথমিক সমাপনী পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি শাকিল।

শাকিলের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাকিল এই স্কুলে প্লে শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত অধ্যয়ন করেছে। শিশুটির পিতা অল্লি উল্লাহ খানের অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলের বকেয়া বেতন তিন হাজার টাকা ১৬ নভেম্বরের আগেই পরিশোধ করে দিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা পারভিনকে বলে আসেন ছেলেকে প্রবেশ পত্র দিয়ে দিতে। কিন্তু প্রবেশ পত্র শাকিল কাছে তিনি দেননি শিক্ষিকা।

বিষয়টা শুনে তার বাবা শাকিলের বোনকে সাথে দিয়ে প্রধান শিক্ষিকা নাছিমার বাসায় পাঠান। শিক্ষিকা প্রবেশ পত্র না দিয়ে উল্টো শাকিলকে পরিক্ষার দিন সকালে ১০ হাজার টাকা বকেয়া বেতন দিলে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে প্রবেশপথ পাবে বলে জানিয়ে দেন।

প্রাথমিক সমাপনী পরিক্ষায় অংশ না নিতে পেরে শাকিল খুব কান্নাকাটি করে। শিশুটির বাবা লজ্জায় আর স্কুলে যোগাযোগ করেনি।

এই ঘটনায় শাকিলের বাবা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মাতৃছায়া স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষিকা নাছিমা অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন,ছেলেটি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারার পেছনে আমাদের কোন ভুল ছিলোনা বরং তার বাবা রাগে ক্ষোভে প্রবেশপত্র নেননি। তাতে আমার কিছুই করার নেই।

এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জুয়েল আশরাফের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টা এড়িয়ে গিয়ে বলেন, যেহেতু স্কুলটি বেসকারি প্রতিষ্ঠান সেক্ষেত্রে আমার কিছুই করার নেই।