তেলীগ্রাম বাজারে সংঘটিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

বুলবুল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ৪ নম্বর বালিয়ান ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ৪ নম্বর বালিয়ান ইউনিয়নের তেলীগ্রাম বাজারে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল।

গতকাল বৃহস্পতিবার ফুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাবে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে বুলবুল দাবি করেন, গত ২৫ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তেলীগ্রাম বাজারে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেন এবং পরবর্তীতে ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল বলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাঃ কামরুল হাসান মিলনের বাড়ি ও তার বাড়ি একই বাড়ি-গোষ্ঠীর হওয়ায় পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে তার প্রতি একটি পক্ষের ক্ষোভ রয়েছে।

এছাড়া গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় ওই সময় থেকেই তাদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি। বুলবুল আরও বলেন, সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর থেকে তেলীগ্রাম বাজার পর্যন্ত সড়ক মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে তিনি ঠিকাদারকে কাজের মান বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করেন। তার অভিযোগ, এরপরও নিম্নমানের কাজ করা হলে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন। ওই ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তেলীগ্রাম বাজারে একটি মব তৈরি করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, ওই পরিস্থিতিতে নিজের মান-সম্মান রক্ষায় এবং মবের তোপের মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছিলেন। তবে বাস্তবে তিনি কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেন বুলবুল। বুলবুলের ভাষ্য, ‘টাকা নেওয়ার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবির কারণে তার সামাজিক মর্যাদা ও মান-সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি এসব ভিডিও ও ছবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এ বিষয়ে অলি উল্লাহ বলেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করেন এবং কোনো গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তার দাবি, বিএনপিতে চাঁদাবাজির কোনো স্থান নেই। চাঁদাবাজির ঘটনা শুনেই তিনি প্রতিবাদ করেছেন। ঠিকাদার মো: ফরহাদ হোসেনর মুঠো (৬.৫০মিনিট) একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।