ময়মনসিংহে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালিত।

জেলা প্রতিনিধি

যথাযোগ্য মর্যাদাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহে পালিত হয়েছে  ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শনিবার (০৭ নভেম্বর ২০২৬)  সকালে নগরীর অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য (এমপি)  আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

আলোচনা সভা ও অতিথিদের মাঝে  বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন,ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মউক) এর চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার,পুলিশ সুপার কামরুল হাসান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি ও জাতীয় জীবনের এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ৭ই নভেম্বরের চেতনা আমাদের সবসময় অনুপ্রেরণা জোগায়। ভেদাভেদ ভুলে দেশের কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে  জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান  বলেন, যুবসমাজকে সঠিক ইতিহাস জানাতে এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে এ ধরনের দিবস পালন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য, জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী

আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন শিল্পীরা।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় (যেমন: রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা) বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।