ত্রিশালের সামাজিক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মরহুম আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যান
ত্রিশাল উপজেলার বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও সাবেক জনপ্রতিনিধি মরহুম আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যান

শামীম আজাদ আনোয়ার,সম্পাদক (ত্রিশাল বার্তা) :

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও সাবেক জনপ্রতিনিধি মরহুম আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। সততা, জনসেবা এবং শিক্ষাবিস্তারে অবদানের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে তিনি এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব।

কর্মজীবন ও শিক্ষকতা ১৯৩৮ সালে ত্রিশাল সদরে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুর রশিদ। ১৯৫৪ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ ও জামালপুর থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ত্রিশালের কবি নজরুল একাডেমীতে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে তিনি সরাসরি জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনসেবায় যুক্ত হন।

জনপ্রতিনিধি ও সমবায় নেতৃত্বের ভূমিকা আব্দুর রশিদ প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৯ সালে ত্রিশাল পৌরসভা গঠিত হলে তিনি পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সমবায় খাতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) ময়মনসিংহ জেলার টিসিসি-এর ফেডারেশন সভাপতি ছিলেন। সমবায় ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখায় তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ সমবায়ী হিসেবে সম্মানিত হন।

শিক্ষাবিস্তারে স্থানীয় অবদান ত্রিশাল এলাকায় শিক্ষার প্রসার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা ছিল। স্থানীয় পর্যায়ে নারী শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার সুবিধার্থে তিনি প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ভূমিকা রাখেন:

  • নজরুল গার্লস হাইস্কুল

  • নজরুল ডিগ্রী কলেজ

২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট এই প্রবীণ জননেতা মৃত্যুবরণ করেন। আর ত্রিশালবাসী হারায় এক অভিভাবকে। যিনি ছিলেন সকল দলমত নির্বিশেষে সম্মানিত ব্যক্তি।