নিজস্ব প্রতিনিধি
উদ্বোধনী খেলায় মেক্সিকো, ২–০ গোলে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। দেখে মনে হচ্ছিলো – আয়োজকরা ঠিক যেন ঘরের মাঠে। অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে, শহরের ধুলোতে মিশে থাকা একের পর এক ইতিহাসের ভিতর দিয়ে চলল ম্যাচ। গোল করল জুলিয়ান কুইনোনস, তারপর রাউল হিমেনেজও ফুট পেল নেটে। খেলাটা মনে রাখা ঠিক মনে রাখার মত, লাল কার্ডের এক ঝড় হয়ে গেল। – তিনটি লাল কার্ড তাওআবার একের পর এক।
নয় মিনিটের মধ্যেই কুইনোনস গোল করে ফেলেন। আফ্রিকার মিডফিল্ডার ইয়ায়া সিথোলের বল হারানোর সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে দেন কুইনোনস। ম্যাচের শুরু থেকেই মেক্সিকো ভালো খেলছিল। তবে তাদের আরও গোল করার সুযোগ নষ্ট করে দেন গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে রবার্তো আলভারাদোর পাসে ব্যাক পোস্টে মাথা দিয়ে গোল করেন রাউল হিমেনেজ, ফলে লীড দাঁড়ায় দুই গোল। অপরদিকে ২০২০ সালে মাথায় ভয়ঙ্কর চোটের পর কঠিন সময় পেরিয়ে এসে বিশ্বকাপে প্রথম জালে বল পাঠানোর পর চোখের জল আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি।
ম্যাচের শুরুতেই সিথোল লাল কার্ড পান, গোলমুখী খেলোয়াড়কে ফাউল করার জন্য। ভিএআর দেখে বোঝা যায় বদলি হিসাবে ঢোকা জোয়ান আলভারাদোকে মুখের ওপর ধাক্কা দিয়েছেন – ফলে তাকেও মাঠ ছাড়তে হয়। অন্যদিকে, মেক্সিকোর ডিফেন্ডার মন্টেস পেয়ে বসেন লাল কার্ড, সিদ্ধান্তটি নিয়ে জমে ওঠে বিতর্ক; আগ্রাসনটি আসলে কতটা গোলমুখের কাছাকাছি ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।
ম্যাচের পর অনেকেই নিয়ম কড়াকড়ি নিয়ে প্রশ্ন তুলল – বিশেষ করে উইল্টন সাম্পাইওর বিচারে। খেলোয়াড়দের মুখে জমে আছে ক্ষোভ, কারণ কিছু ঘটনায় তাঁর সিদ্ধান্ত এলোমেলো লাগছিল। কেউ বলছে এক ঝাঁজ, কেউ বলছে আরেক ঝাঁজ – সব মিলিয়ে তর্ক থামছে না। ওই ফুটবল খেলার আগুনে জ্বলছে নতুন বিতর্ক।



