নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘আই’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানের দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। আর এই ম্যাচের মূল নায়ক কিলিয়ান এমবাপে, যার চাঞ্চল্যকর জোড়া গোল তাকে বসিয়েছে ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে।
যেভাবে ইতিহাস গড়লেন এমবাপে
- রেকর্ড স্পর্শ: ম্যাচের দ্বিতীয়াহে মাইকেল ওলিসের রক্ষণ ভেদকারী চমৎকার পাস থেকে প্রথম স্পর্শেই গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে তিনি অলিভিয়ের জিরুদের ৫৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন।
- রেকর্ড ভাঙা ঐতিহাসিক গোল: ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে দূরপাল্লার এক অসাধারণ ও দর্শনীয় শটে নিজের ৫৮তম গোলটি করে এককভাবে ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যান এমবাপে।
ম্যাচের অন্যান্য রোমাঞ্চকর মুহূর্ত
- বারকোলার চমৎকার ফিনিশিং: ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ব্র্যাডলি বারকোলার করা ফ্রান্সের দ্বিতীয় গোলটি। তার চমৎকার ফিনিশিংয়ের সুবাদেই লিড দ্বিগুণ করে ফরাসিরা।
- সেনেগালের পাল্টা আঘাত: ফ্রান্সের দ্বিতীয় গোলের দুই মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে ব্যবধান কমায় সেনেগাল। দলটির বদলি খেলোয়াড় ইব্রাহিম এমবায়ে—যাকে ফুটবলবিশ্বে ‘পরবর্তী এমবাপে’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে—একটি গোল করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন।
পেনাল্টি বিতর্ক
ম্যাচে একটি বড় বিতর্ক তৈরি হয় যখন সাদিও মানের একটি চ্যালেঞ্জের পর ফ্রান্সের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজানো হয়েছিল। তবে ভিএআর (VAR) পরীক্ষার জন্য রেফারি আলিরেজা ফাগানিকে মনিটরে পাঠানো হলেও, তিনি মাঠের সিদ্ধান্তে অটল থেকে পেনাল্টিটি বাতিল করেন।
যদিও এই বিতর্ক ফ্রান্সের জয় রখতে পারেনি, কারণ শেষ মুহূর্তে এমবাপের জাদুকরী শটই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
তথ্যসূত্র-sky-sports




