গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের গফরগাঁওয় থানার মশাখালি ইউনিয়নের একটি জঙ্গলের ভেতর গাছের সাথে দুই হাত বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পাগলা থানা পুলিশ। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সহায়তায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ঐ নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহত ওই যুবকটি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (২১শে মে) সকালে উপজেলার পাগলা থানাধীন মশাখালি ইউনিয়নের দরিচাইরবাড়িয়া গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মশাখালি ইউনিয়নের দরিচাইরবাড়িয়া গ্রামের ওই জঙ্গলে স্থানীয়রা গাছের সাথে হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। তবে মরদেহটিতে মাথা ছিল না। শরীর গাছে বাঁধা ছিল পাশেই মাথাটি পড়ে ছিল। এলাকা বাসি খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয়রা কেউ মরদেহ শনাক্ত করতে পারেনি তাই বিষয়টি পিবিআইকে জানানো হয়। পরে পিবিআই এর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে। এরপর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পরিচয়ে জানা যায় নিহত যুবকের নাম মোঃ কাওছার আলম (৪৪)। তার বাবার নাম জামেদ আলী এবং মায়ের নাম লাইলী বেগম। তাদের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায়।
এ বিষয়ে পাগলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পিবিআই এর মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় জানতে পেরেছি। নিহত যুবকের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায়। তবে কীভাবে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশের একাধিক টিম ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।’
