ময়মনসিংহে চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের প্যাভিলিয়নের রড-ইট ভাঙার দৃশ্য
স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৫নং সিরতা ইউনিয়নের চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্মিত প্যাভিলিয়ন ভেঙে রড ও ইট বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সরকারি বরাদ্দে নির্মিত স্থাপনা এভাবে ভেঙে এর নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিরতা ইউনিয়নের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ খেলার মাঠ হিসেবে চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার শিশু-কিশোর ও তরুণরা প্রতিদিন এ মাঠে ফুটবল, ক্রিকেটসহ নানা ধরনের খেলাধুলায় অংশ নেয়। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া আয়োজনেরও অন্যতম কেন্দ্র এই মাঠ।
অভিযোগ রয়েছে, মাঠে খেলোয়াড় ও দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সরকারি বরাদ্দে নির্মিত প্যাভিলিয়নটি সম্প্রতি ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরে প্যাভিলিয়নের রড, ইটসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহলের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থে নির্মিত কোনো স্থাপনা ব্যক্তি বা কোনো মহলের ইচ্ছামতো ভেঙে ফেলা কিংবা এর নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্যাভিলিয়ন ভাঙার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, প্যাভিলিয়ন ভেঙে ফেলার বিষয়ে চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ের মাঠ ও স্থাপনা রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। অথচ প্যাভিলিয়ন ভেঙে ফেলা ও নির্মাণসামগ্রী বিক্রির অভিযোগ উঠলেও প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি এবং বিষয়টি নিয়ে নীরব রয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা বলেন, চর খরিচা মাঠটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের মাঠ নয়; এটি পুরো সিরতা ইউনিয়নের খেলাধুলার অন্যতম প্রধান মাঠ। মাঠে প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা খেলাধুলা করেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাঠের প্যাভিলিয়ন ভেঙে ফেলা হলে খেলোয়াড় ও দর্শনার্থীদের জন্য যেমন অসুবিধা সৃষ্টি হবে, তেমনি সরকারি সম্পদেরও ক্ষতি হবে। সচেতন মহলের দাবি, সরকারি বরাদ্দে নির্মিত প্যাভিলিয়নটি কীভাবে ভাঙা হলো, কার অনুমতিতে ভাঙা হলো এবং ভাঙার পর রড-ইটসহ নির্মাণসামগ্রী কোথায় নেওয়া বা বিক্রি করা হয়েছে এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত বা আত্মসাতের অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তদন্ত ও শাস্তির দাবি
ইউনিয়নের সচেতন মহল ও ক্রীড়ানুরাগীদের জোর দাবি:
কার অনুমতিতে এবং কীভাবে সরকারি বরাদ্দে তৈরি এই প্যাভিলিয়ন ভাঙা হলো, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
উদ্ধার হওয়া ইট ও রড কোথায় বিক্রি বা স্থানান্তর করা হয়েছে, তার হিসাব যাচাই করতে হবে।
সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ বা ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত স্থাপনা রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
কবি নজরুল বিশ্ব মানবতার প্রতীক, তার চেতনায় দেশ গড়তে হবে: নিতাই রায় চৌধুরী ত্রিশাল প্রতিদিন ডেস্কঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১২৭তম) জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রাক-প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাক-প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি [বিস্তারিত]
নিজস্ব প্রতিবেদক | ত্রিশাল প্রতিদিন ময়মনসিংহঃ বর্ষার শুরুতেই ময়মনসিংহে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ। আক্রান্তের সংখ্যার তুলনায় মৃত্যুর হার বেশি হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক [বিস্তারিত]