ময়মনসিংহের ভালুকায় কলার বাগান থেকে সহস্রাধিক গাছ কেটে কলার ছড়ি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় কলা বাগানটি সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার। এ ঘটনায় স্থানীয় শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এখলাস উদ্দিন মুন্সিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সোমবার দুপুরে উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের দরগারচালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত হারুন অর রশিদ ভালুকা উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং একসময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মল্লিকবাড়ি দরগারচালা এলাকায় ৩০ বিঘা জমিতে তিনি প্রায় ছয় হাজার কলার চারা রোপণ করে একটি বড় কলাবাগান গড়ে তোলেন। সম্প্রতি কলা বিক্রির উপযোগী হলে সোমবার দুপুরে ৩০-৪০ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে সহস্রাধিক গাছ কেটে কলার ছড়ি নিয়ে যায়।
এ সময় বাগানের পাহারাদার শামছুদ্দিন ফকির বাধা দিতে গেলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে এখলাস উদ্দিন মুন্সির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নাম না প্রকাশ করার চুক্তিতে এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে। তার দাবি, জমি বিক্রয় ও দখল নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় কলাবাগান কেটে ফেলা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত হারুন অর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, এখলাস উদ্দিন মুন্সির সংঘবদ্ধ দল তার বাগানের সহস্রাধিক কলাগাছ কেটে কলার ছড়ি নিয়ে গেছে, এতে তার প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। জমিটি আগে বর্গা দেওয়া ছিল। চলতি মৌসুমেও তারা বর্গা নিতে চেয়েছিল, কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং ফিরে এসে থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এখনো । অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র-রূপালী বাংলাদেশ
