ময়মনসিংহে মাদ্রাসার ছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেংগে দেয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

মো:নাজমুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার:
ময়মনসিংহের বাইপাস মোড়ে অবস্থিত দারুলউলুম নিজামিয়া হাফিজি মাদ্রাসার নাজেরা শাখার জোনায়েদ সিদ্দিকি নামে ছাত্রকে নির্মম ভাবে কাঠের চেলি দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেংগে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক শহিদুলের বিরুদ্ধে। আহত ছাত্রের বাড়ি ভালুকা উপজেলার ভান্ডাব কলেজ মহল্লায়। তার পিতার নাম সোহেল রানা।

আহত মাদ্রাসার ছাত্রের চাচা ইলিয়াস মন্ডল জানান,অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক শহিদুল্লাহ একটি ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাকড়ি দিয়ে আঘাত করে জোনায়েদের হাত ভেংগে ফেলে।হাত ভাংগার পরও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমার ভাতিজাকে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে যেতে ও কাউকে কিছু না বলার ভয় দেখায়।

তিন সপ্তাহ ধরে হাত ভাংগা অবস্থায় জোনায়েদ মাদ্রাসার আবাসিক রুমেই কাতরাচ্ছেন কিন্তু কেউ তাকে কোন ঔষুধ বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়নি!

হঠাৎ হাতের অবস্থা অবনতি হলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। ডাক্তার যখন বাড়ির লোকের কথা জিজ্ঞেস করে তখন তারা বাড়িতে ফোন দিতে বাধ্য হয়।

তিন সপ্তাহ যাবৎ জোনায়েত ব্যাথায় অস্তির থাকলেও মাদ্রাসা থেকে কেউ তাদের পরিবারের সাথে কোন যোগাযোগ করেনি।

যখন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় তখন তাদের ফোন করে বলা হয় জোনায়েদের হাত ভেংগে গেছে পড়ে!

এ ব্যাপারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার ছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেংগে দেওয়ার ব্যাপারটি অস্বীকার করে।

ছাত্রটির চাচা আরো বলেন, আমরা এই নির্মম নির্যাতনের বিচার চেয়ে জেলা গোয়েন্দা সংস্থার ওসি বরাবর বিষয়টা লিখিতভাবে জানিয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষক শহিদুলকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি ।