ঈদুল আযহা, যা কুরবানির ঈদ নামেও পরিচিত, ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এটি হজের সময় পালিত হয়, যা ইসলামী চান্দ্র ক্যালেন্ডারের জিলহজ মাসের ১০ম দিনে শুরু হয়। এই উৎসবটি হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের স্মরণে পালন করা হয়, যিনি আল্লাহর নির্দেশে তাঁর পুত্র হযরত ইসমাঈল (আ.)-কে কুরবানি করতে প্রস্তুত ছিলেন। আল্লাহ তাঁর এই আনুগত্যের পরীক্ষায় সন্তুষ্ট হয়ে ইসমাঈলের পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানির ব্যবস্থা করেন।
১০ জিলহজ আগামী ৬ জুন (শুক্রবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে।এ ছাড়া ওমানও আগামী ৬ জুন ঈদুল আজহা উদ্যাপনের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে ইন্দোনেশিয়া একই দিন ঈদুল আজহা উদ্যাপনের ঘোষণা দেয়।
সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ঈদ উদ্যাপনের পরদিন বাংলাদেশে ঈদ উদ্যাপিত হয়ে থাকে। সে হিসাবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৭ জুন (শনিবার) বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হতে পারে।
ঈদুল আযহার গুরুত্বপূর্ণ দিক:
- কুরবানি: সামর্থ্যবান মুসলমানরা এই দিনে পশু (যেমন গরু, ছাগল, ভেড়া, উট) কুরবানি দেন। কুরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করে নিজ পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
- ঈদের নামাজ: ঈদের দিন সকালে মুসল্লিরা মসজিদে বা ঈদগাহে সমবেত হয়ে দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করেন।
- ত্যাগের শিক্ষা: এই উৎসব মুসলমানদের ত্যাগ, ধৈর্য, এবং আল্লাহর প্রতি ভক্তি ও আনুগত্যের শিক্ষা দেয়।
- সামাজিক বন্ধন: ঈদুল আযহা মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও সামাজিক সংহতি বাড়ায়।
