১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশে ১৪৩ রানে অলআউট। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রানে করেন নবাগত ক্রিকেটার আরিফুল হক। মুশফিকুর রহিম করেন ৩১ রান।

ইনিংসের শুরুতেই ভূত চেপে বসে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের ঘাড়ে। একের পর এক বেখেয়ালি শট খেলে ফেরেন টপ-অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। শুরুতে ফিরে যান ইনফর্ম ইমরুল কায়েস। টেন্ডাই চাতারার বলে বোল্ড হন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই কাইল জার্ভিসের বলে আউট হন লিটন দাস। দলীয় ১৪ রানে ২ ওপেনার হারিয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা।
এরপরে ক্রিজে কেউ থিতু হতে পারেনি। ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টিকতে পারেননি বাংলাদেশে টেস্ট স্পেশালিষ্ট মমিনুল হক।

 

নবাগত আরিফুলকে নিয়ে ইনিংস বাড়ানোর চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু চা-বিরতির পর কাইল জার্ভিসের বলে চাকাবার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। শেষে দিকে আরিকুল হক মেহেদী হাসার মিরাজ কিছুটা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। সেখানেও মেরাজ ব্যর্থ হন। ৩ চারে ২১ রান করে ফিরে যান। পরে ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে চাতারা ও সিকান্দা রাজা ৩ উইকেট নেন।

আগের দিনের ৫ উইকেটে ২৩৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। তবে, হঠাৎই ছন্দপতন। খেই হারান চাকাভা (২৮)। শর্ট লেগে নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ২৬১ রানে তার বিদায়ে ভাঙে ৬০ রানের জমাট বেঁধে যাওয়া জুটি। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও স্বাগতিকদের প্রথম সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম।

 

চাকাভা ফিরতেই পথ হারায় জিম্বাবুয়ে। যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন একের পর এক ব্যাটসম্যান। এদিন তাই-জুলের স্পিনে কোনোভাবেই পড়তে পারেননি প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানরা। রোডে-শিয়ানদের সবশেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরের পথ ধরেন টেন্ডাই চাতারা। সেটিও শিকার এ বাঁহাতি স্পিনারের। লিটন দাসের তালুবন্দি করে তাকে ফেরান তিনি। এতে পরীক্ষিত এ সৈনিকের শিকার দাঁড়ায় ৬ উইকেট। এ পথে তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন অপু। তিনি ঝুলিতে ভরেন ২ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ২৮২ রান তুলতেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।