সেই লঁড়াকু কিশোর ছাত্রনেতা থেকে আজকের জননেতা মেয়র আনিছ

মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ
মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ

ফকরুদ্দীনঃঃ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদে মিছিল মিটিং করায় মেয়র পিতা ত্রিশাল আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম আবুল হোসেন চেয়ারম্যান গ্রেফতার হন সেনা শাসক গোষ্ঠীর হাতে। সে সময় বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন করে ময়মনসিংহ কারাগারে বন্দী ছিলেন দেশের প্রথম সারীর নেতারা মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান,বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ তথ্যসূত্র মেয়র পরিবার।

সেসময় ঐ বন্দী নেতারা ধর্য্য আর সাহসিক মনোবল দিয়ে লৌহার খাচার ভিতর থেকে যখন শিশু আনিছুজ্জামানের মাথায় হাত ভুলিয়ে শান্তনা দিতেন আমরা বের হবো বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিশোধ নিতে আবার রাজপথে নামবো এই শান্তনা গুলো মেয়র আনিছুজ্জামানের শরীর শিহরিত করে তুলতো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ করার মূল অনুপ্রেরণা পেয়ে ছিলেন সেই জেলখানায় বন্দী থাকা নেতাদের সাহসিক সান্তনা থেকে। মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ আস্তে আস্তে বড় হলেন। তাঁর পিতা আট মাস বন্দী থেকে মুক্তি পেলেন।

ত্রিশাল নজরুল একাডেমীর মেধাবী ছাত্র ছিলেন আনিছুজ্জামান আবার বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চিন্তায় মাথায় রেখে ছাত্রদের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণে নজরুল একাডেমী হাই স্কুলের ছাত্রলীগ সভাপতির হওয়ার নেতৃত্বের দুয়ার খোলে যায়। পারিবারিক সাপোর্ট আর জেল খানায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সাহসিক সান্তনা বুকে লালন করে তৎকালীন সময় সোনা শাসকের রাজপথ কিশোর আনিছুজ্জামান আনিছকে পথ রুদ্র করতে পারে নাই।

১৯৮০সালে কিশোর আনিছুজ্জামান আনিছ সেনা শাসকের বন্দুকের নলের ডগায় বুক পেতে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিড়ে আসার আন্দোলনে স্লোগান ধরতেন জয়বাংলার ।এই জয় বাংলা স্লোগানে কিশোর বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যোদ্ধা আনিছুজ্জামান ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন, উপজেলা যুবলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন দের যুগ, সারা ত্রিশাল ব্যাপী যার পরিচিতি হয়ে উঠেছিল যুব আইকন।

এই পরিচিতি থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাঁর। জননন্দিত জননেতা পর পর দু’বারের সফল মেয়র। মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছের পেছনের ৪০বছরের আওয়ামীগের ইতিহাস এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। ত্রিশাল আওয়ামীলীগ অতপর মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ শিশু কিশোর থেকে রাজপথ লঁড়াকু নেতৃত্বে আজকের জনপ্রিয় জননেতা।