সূর্য ছুঁতে অবশেষে আকাশে উড়ল নাসা

ত্রিশাল প্রতিদিন ডেস্ক:সূর্য ছুঁতে অবশেষে আকাশে উড়ল নাসার মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব। সূর্যবলয় পর্যন্ত পৌঁছতে পার্কার সোলারের সাত বছর লাগবে। সূর্যের তাপ এবং তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ৫০০ গুণ বেশি সহ্য করার ক্ষমতা আছে এই মহাকাশযানের অতি–শক্তিশালী ঢাকনির।

রবিবার স্থানীয় সময় ভোর ৩.‌৩১ মিনিট নাগাদ ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে ডেল্টা ৪–হেভি রকেটে সূর্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে নাসার স্বপ্নের মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব। এটাই এখনও পর্যন্ত মানুষের তৈরি একমাত্র মহাকাশযান, যা সূর্যবলয় ভেদ করে সূর্যের পৃষ্ঠদেশের প্রায় ৬.‌১৬ মিলিয়ন কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছবে।

পরিমাপে একটি ছোট গাড়ির মতো পার্কার সোলার প্রোব সূর্যবলয়ের ভিতরের শক্তিশালী প্লাজমা এবং শক্তিকণার উপর পরীক্ষানিরীক্ষা চালাবে। এগুলিই পৃথিবী সহ আমাদের সৌরমণ্ডলে জিওম্যাগনেটিক সৌরঝড় তৈরি করে। ফলে সূর্যবলয়ের বিশয়ে বিশদে জানতে পারলে সৌরঝড় মোকাবিলা সুবিধাজনক হবে বলেই মনে করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সাত বছরের অভিযানে সূর্যবলয়ে ২৪ বার পাক খাবে পার্কার সোলার প্রোব।

নাসা জানিয়েছে, ফিলাডেলফিয়া থেকে ওয়াশিংটন পৌঁছতে যদি এক সেকেন্ড সময় লাগে, সূর্যের কাছে পৌঁছে পার্কার সোলারের গতি ততটাই হবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইউজিন এন পার্কারের নামে এই মহাকাশযানের নাম রেখেছে নাসা। ১৯৫৮ সালে ইউজিনই প্রথম সৌর বাতাসের তথ্য আবিষ্কার করেছিলেন। যা সৌরঝড়ের উৎস। এদিন নিজের নামাঙ্কিত মহাকাশযান ওড়ার সন্ধিক্ষণে ছিলেন ৯১ বছরের বিজ্ঞানী।