সাইরু হিল রিসোর্ট-বান্দরবান

ত্রিশাল প্রতিদিন ডেস্ক:: কি আছে সেখানে। অাপনার ভ্রমণ অপারেটর হিলি হেভেনের সঙ্গে যোগ করেছি। তারা খুব সুন্দর লেখা পাঠিয়েছে। সে লেখা পড়লে সম্যক জানা হবে।

ভাবুন তো!!! আপনি সাঁতার কাটছেন এমন এক সুইমিংপুলে যেটি কিনা সমূদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ১৮০০ ফুট উপরে, যেখানে দাঁড়িয়ে দিগন্তজুড়ে ঢেউ খেলা পাহাড়ের ভাজ ও শুভ্র মেঘের সমূদ্র দেখতে পাচ্ছেন।
হ্যা, এমনি এক লাক্সারী রিসোর্ট- “সাইরু হিল রিসোর্ট” যেটি চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
আর হিলি হেভেন বান্দরবান হচ্ছে বান্দরবানের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ট্যুর এজেন্সি এবং সাইরুর শুরুলগ্ন থেকে সবচেয়ে একান্ত শুভাকাঙ্ক্ষী। সাইরু আর হিলি হেভেন যেন একসুত্রে গাঁথা, তাইতো তাদের সাথে আমাদের যাত্রা যেন এক অনবদ্য গল্পকথা তৈরি করেছে বছরের পর বছর ধরে।
আমাদের মাধ্যমে ট্যুর প্যাকেজ বা রুম বুকিং দিলে অথিতিগণ অতিরিক্ত বেশ কিছু সেবা পেয়ে থাকেন এবং সাইরু রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে আপনাদের পুর্ণ সহযোগীতা করে থাকে সবসময়।
শহর থেকে প্রায় ২০ কি.মি. দূরে নিলগিরি রোড এ ওয়াই জংশন আর্মি ক্যাম্পের পাশেই এই রিসোর্টের অবস্থান হওয়ায় নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে একদমই ভাবার অবকাশ নেই। যে কোন ছুটির দিন বন্ধু, আত্মীয়, পরিবার কিংবা প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন বর্তমানে দেশের সবচেয়ে সুন্দর ভিউ সমৃদ্ধ এই রিসোর্ট থেকে।
আশেপাশের পাহাড়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পাহাড়টিতে গড়ে উঠা এই রিসোর্ট এ যে কোন সিজনে গেলেই ভাল লাগবে। শীতকালে গেলে মনে হবে কুয়াশার চাদরে মুড়িয়ে রেখেছে কেউ আপনাকে। তবে আমাদের মাধ্যমে ভ্রমণ করে এসেছেন এমন অতিথিদের মতে বর্ষাকাল হচ্ছে সাইরু রিসোর্ট ভ্রমণের সবচেয়ে পারফেক্ট সময়। ঠিক তাই, সকালে ঘুম ভেঙে বিছানায় বসেই দেখবেন টেরেসের দরজায় কেউ উকি দিচ্ছে। না! না! ভয় পাবার কোন কারণ নেই, উকি দিচ্ছে একগুচ্ছ শুভ্র মেঘের বাহার যারা আপনাকে সাত সকালে শীতল করে দিতে হুরমুড়িয়ে পরতে চাইছে। দরজা মেললেই তাদের সাথে হবে আপনার আলিঙ্গন। তারপর দেখবেন পুরো রুম জুড়েই মেঘদলের সাথে আপনার বসবাস। একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো এমন দৃশ্যপট, এখুনি ছুটে যেতে মন চাইছে তো! আর দেরি না করে তৈরি করে ফেলুন ভ্রমণ পরিকল্পনা।

Image result for সাইরু হিল রিসোর্ট বান্দরবান

মেঘের পথে হেটে চলা সাইরুর রুমের অভিমুখে

 

Image result for সাইরু হিল রিসোর্ট বান্দরবান

মেঘাচ্ছন্ন সাইরুর এরিয়া

কিভাবে ভ্রমণ পরিকল্পনা সাজালে সুন্দরমত ঘুতে আসতে পারবেন তা হিলি হেভেন বান্দরবান আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করবে এখন। নিজে ভ্রমণ পরিকল্পনা সাজালে এই আইডিয়া বেশ কাজে দিবে আশা করি তবে হিলি হেভেন বান্দরবান কে কিন্তু ১টি মাত্র কল করেই সব দায়িত্ব দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে প
কিভাবে যাবেন এবং যাওয়া-আসার খরচঃ
১। ঢাকা থেকে সবচেয়ে সহজে বাসে যেতে পারেন সরাসরি বান্দরবান সেক্ষেত্রেঃ
ঢাকা থেকে বান্দরবান আসা-যাওয়ার বাস টিকেট-
* নন এসি বাস (শ্যামলী/হানিফ/সৌদিয়া পরিবহন) (হিনো ২/২ সিট)- ৬২০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
* নন এসি বিজনেস ক্লাস বাস (সেন্ট মার্টিন পরিবহন)
(হিনো ১/২ সিট)- ৬৫০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
* এসি ইকোনমি ক্লাস বাস (শ্যামলী/সেন্ট মার্টিন পরিবহন) (হিনো ২/২ সিট)- ৯৫০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
* এসি বিজনেস ক্লাস বাস (শ্যামলী/সেন্ট মার্টিন/দেশ/হানিফ পরিবহন) (হুন্দাই/ভলভো ১/২ সিট)- ১৪০০/১৫০০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
২। ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম যেতে পারেন তারপর সেখান থেকে সিএনজি তে বদ্দের হাট এসে বান্দরবানগামী পুর্বাণী/পুরবী নন এসি বাসে সরাসরি বান্দরবান আসতে পারেন।
* আন্তঃনগর ট্রেনে ক্লাস ভেদে সর্বনিম্ন ৩৪৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১১৭৯ টাকা ভাড়া রয়েছে।
* সিএনজি জনপ্রতি ২০/৩০ টাকা
* পুর্বাণী/পুরবী বাস জনপ্রতি ১২০ টাকা
৩। ঢাকা থেকে বাই এয়ার চট্টগ্রাম যেতে পারেন তারপর সেখান থেকে রিজার্ভ এসি প্রাইভেট/মাইক্রোতে সরাসরি সাইরু রিসোর্ট যেতে পারেন।
* প্রাইভেট/নোয়াহ/হাইয়েস রিজার্ভ ৫৫০০/৬০০০ টাকা
১ ও ২ নং পদ্ধতি ব্যবহার করে যারা আসবেন তারা বান্দরবান শহর থেকে যেভাবে যাবেন সাইরুতেঃ
* ২-৪ জন হলে সিএনজি নিতে পারেন- ভাড়া ৮০০-১০০০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
* ৫-৭ জন হলে ল্যান্ড ক্রুইজার নিতে পারেন- ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
* ৮-১৩ জন হলে মাহেন্দ্র খোলা জীপ নিতে পারেন- ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা (ওয়ান ওয়ে)
চাইলে নিজস্ব গাড়ী নিয়ে ভ্রমণ করতে পারেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই তেলের গাড়ী হতে হবে এবং পাহাড়ী রাস্তায় চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে নতুবা না আসাই উত্তম।
কি খাবেন/কেমন খরচঃ
সাইরুর রয়েছে সুবিশাল রেস্টুরেন্ট এন্ড ওপেন টেরেস। যেখানে আপনি প্রায় ৭ ধরনের স্ন্যাক্স/ব্রাঞ্চ, ৫ ধরনের স্যুপ, ২০ ধরনের দেশী খাবার, ৫ ধরনের খিচুড়ি/বিরিয়ানি, ১২ ধরনের চাইনিজ আইটেম, ১০ ধরনের বার-বি-কিউ আইটেম, ১৬ ধরনের বেভারেজ আইটেম, ৫ ধরনের ডেজার্ট আইটেম ও কয়েক ধরনের সিজনাল জুস রয়েছে।
এছাড়াও ১১ ধরনের ট্র‍্যাডিশনাল আইটেম রয়েছে তাদের সমৃদ্ধ মেন্যুতে।

Image result for সাইরু হিল রিসোর্ট

সাইরুর ট্র্যাডিশনাল ফুড এন্ড ডেকোরেশন

 

খরচটা তুলনামূলক বেশি মনে হলেও খাবারের জায়গা আর স্বাদের কাছে হার মানবে। সম্পুর্ণ হাইজেনিক ভাবে তৈরী খাবারগুলো লোকাল বাজার থেকেই সংগ্রহ করা হয়। ৫০০-৭০০ টাকার মধ্যে একজনের ভালমত লাঞ্চ/ডিনার হয়ে যাবে যে কারও।
আশেপাশের ঘুরাফিরার জায়গা এবং ঘুরার খরচঃ
রিসোর্ট এ তো থাকতে যাবেনই সাথে যদি আশেপাশের ভ্রমণস্থানসমূহ বেড়িয়ে আসা যায় তো মন্দ কি। ঘুরে আসতে পারেন- নিলগিরি, চিম্বুক, শৈল প্রপাত, মেঘলা, স্বর্ণমন্দির, নীলাচল। এছাড়া সাংগু নদীতে নৌ ভ্রমণ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে অবশ্য ২/৩ টি ঝর্ণার দেখা মিলবে তার মধ্যে রয়েছে বান্দরনী এবং স্রোতস্বিনী ঝর্ণা।
* সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে সবগুলো জায়গা ঘুরতে খরচ হবে ৩০০০-৩৫০০ টাকা
* ল্যান্ড ক্রুইজার/মাহেন্দ্র জীপ এ সবগুলো জায়গা ঘুরতে ৬৫০০-৭০০০ টাকা
* সাংগু নদী নৌকায় ২/৩ ঘন্টা রিজার্ভ ঘুরতে ১২০০-১৫০০ টাকা

Image result for সাংগু নদী

 

সাঙ্গু নদীতে নৌ ভ্রমণ হবে আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ

 

Image result for স্বর্ণমন্দির তথা বুদ্ধ ধাতু জাদী মন্দির
ঘুরে আসতে পারেন স্বর্ণমন্দির তথা বুদ্ধ ধাতু জাদী মন্দির

Image result for নীলাচল থেকে সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য
নীলাচল থেকে সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য অপূর্ব

সাইরুর নামকরণ ও বিস্তারিতঃ
খুব সুন্দর প্রেমময় ইতিহাসে গড়া “সাইরু হিল রিসোর্ট” এর নামকরণের পেছনের গল্প নিম্নে তুলে ধরা হল।
দীর্ঘদিন আগে, বান্দরবান জেলার দূরবর্তী অঞ্চলে, একজন সুন্দরী যুবতী সাইরু নামে পরিচিত ছিল। সে একটি পাহাড়ী বংশের রাজার কন্যা ছিল। সে এক যুবক যে কিনা অন্য পাহাড়ী উপজাতি দ্বারা সংযুক্ত এমন রাজ্যের পুত্রের সঙ্গে প্রেমে নিঃসৃত ছিল। প্রেম তো কোন সীমানা বা সীমাবদ্ধতা জানে না। অবশেষে প্রাচীনরা ব্যাপারটির বাতাস বয়ে বেড়ায় এবং এর ফলে এতটাই ক্ষুব্ধ হয়ে যায় যে তারা এটাকে শেষ করার জন্য চরম পদক্ষেপ নিয়ে নেয়। তখন যুবকটি দ্রুত তার পাহাড়ী কণেদের থেকে একটি মেয়েকে বিয়ে করে এবং সাইরু এই ঘটনায় দুঃখ পায় এবং নিঃসঙ্গ হয়ে যায়। দুঃখে একদিন সে নির্জন জঙ্গলের দিকে একা একা চলে যায়। বলা হয় যে সাইরু সেখান থেকে আর কোনদিন ফিরেনি।
দুইটি গাছ যা রিসোর্ট সাইট এর শীর্ষস্থানীয় বরাবর একটি স্পট যা মুকুট পাহাড় নামে পরিচিত সেখানে় সাইরু আর ঐ যুবকের ভালবাসার প্রতীক হিসাবে অধিষ্ঠিত রয়েছে। এখন সেই স্পট সাইরু পয়েন্ট হিসাবে পরিচিত। রহস্যময় এবং অদ্ভুত প্রেমের এই গল্পের চরিত্রের নামে সাইরু এর নামকরণ হয়। নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে এর ছায়ায় বসে উপভোগ করতে পারেন প্রকৃতির সতেজতা।

Related image

সাইরু পয়েন্টে সাইরুর সেই প্রেমময় জোড়া গাছ
সাইরু রিসোর্ট এর সাংগু ভিউ এবং সাংগু ভিউ উইথ টেরেস রুম থেকে সাংগু নদী পর্যবেক্ষণ করা যায়। টেরেসে বসে সকলে মিলে আড্ডায় মেতে কাটানো যায় অনেকটা সময়। এক্সিকিউটিভ ও প্রিমিয়াম রুমগুলো থেকে পাহাড়ের ভাজগুলো সুন্দর দেখতে লাগে, একের পিঠে এক যেন সারিবদ্ধভাবে সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে সাজিয়েছেন। এছাড়া গ্রুপ কটেজ গুলোয় গ্রুপ একসাথে থাকার মজা পাওয়া যায়। সাইরু এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা হচ্ছে এর রেস্টুরেন্ট এর ওপেন টেরেস। নিমিষেই বেলা কাটিয়ে দেয়া যায়। এছাড়াও ভাল লাগে সুইমিংপুল এরিয়ার ক্যাফে করিডোর এ সময় কাটাতে। সাঝবেলাতে পুরো রিসোর্ট টা একবার ঘুরতে ভুলবেন না যেনো। অদ্ভুত কিছু পাখির ডাক, ঝিঝি পোকার আওয়াজ মুগ্ধ করবে আপনাকে। দিনের বেলা অবশ্য আপনাকে মুগ্ধ করতে রয়েছে বাকবাকুম ডাক দেয়া অজস্র পায়রা। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বসে থাকতে দেখবেন রঙিন প্রজাপতি আর এদের সাইজ দেখে এতটাই অবাক হবেন বলার মত নয়। আরেকটু খোঁজাখুঁজি করলে কিন্তু ইয়া বড় মৌমাছির চাকও দেখতে পাবেন।

Related image

সাইরুর রেস্টুরেন্টের ওপেন টেরেস

 

Image result for সাঙ্গু ভিউ উইথ টেরেস রুমের টেরেস থেকে সাঙ্গু নদীর ভিউ
সাঙ্গু ভিউ উইথ টেরেস রুমের টেরেস থেকে সাঙ্গু নদীর ভিউ
এ তো গেল সাইরুর এরিয়ার গালগপ্প, এবার আসি এর ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে। এই কোম্পানির নিজস্ব আর্কিটেকচার ফার্ম থাকায় স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য উদাহরণ ধরা যায় এটিকে। এদের রেস্টুরেন্ট, অভ্যর্থনা স্থান এবং প্রত্যেকটি রুমের ডেকোরেশন এক কথায় মন ভুলানো। বিশেষ করে এক্সিকিউটিভ ও প্রিমিয়াম রুমের ইউনিক ডিজাইন এর বাথটাব সহ সুবিশাল বাথরুম সত্যিই রোমান্টিক করে তুলবে আপনাকে। আর টেরেস এর কথা নাইবা বললাম, এতোটা খোলামেলা আর সুন্দর পরিপাটি যে এখানে বসে এক কাপ চা চমৎকার এক মূহুর্ত তৈরি করবে নিশ্চিত। ভোরবেলা সুর্যোদয় আর সাঝবেলায় সুর্যাস্তের অপরুপ দৃশ্য আপনার চিরকাল স্মরণ থাকবে বৈকি।

 

সাইরুর রেস্টুরেন্ট আর্কিটেকচার
এদের স্টাফদের আন্তরিকতা আপনার সবচেয়ে ভাল লাগবে। অমায়িক ব্যবহার আর দ্রুত সেবা দেয়ার প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। মালামাল তোলা এবং বয়স্কদের রুমে পৌঁছানোর জন্য রয়েছে গো-কার্ট এর ব্যবস্থা। এদের মোট ২৯ টি রুমের জন্য পর্যাপ্ত লোক রয়েছে সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। রয়েছে নিজস্ব পার্কিং এবং ড্রাইভারদের থাকার ব্যবস্থা।

 

সাইরুর গো-কার্ট
সাইরু খুবই জনপ্রিয় হওয়ায় বুকিং এর ক্ষেত্রে এক মাস পুর্বে যোগাযোগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সবচেয়ে ভাল হয় ছুটির দিন বাদে সপ্তাহের মাঝে ছুটি ম্যানেজ করে যেতে পারলে। এতে করে নিরিবিলি ভাবে পুরোটা সময় যেমন কাটানো যাবে তেমনি অতিরিক্ত কিছু ডিস্কাউন্টও মিলে যাবে। বর্তমানে শুক্র-শনি তে ২০% ও রবি-বৃহঃ তে ৩৫% ছাড় দিচ্ছে অনিন্দ্যসুন্দর এই রিসোর্ট টি তাদের রেগুলার রুম মুল্যের উপর। এছাড়াও “হিলি হেভেন বান্দরবান” এর মাধ্যমে বুকিং করলে অতিরিক্ত আরও ৫% ছাড় পাওয়া যাবে।
পাঁচ ধরনের ক্যাটাগরির রুম রয়েছে এই রিসোর্ট টি তে। সাংগু ভিউ, সাংগু ভিউ উইথ টেরেস, এক্সিকিউটিভ, প্রিমিয়াম এবং কটেজ রুম। যেখানে সর্বনিম্ন দুইজন থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১০ জন একসাথে এক রুমে অবস্থান করা যাবে। এক রাত থাকার জন্য যার ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকার রুমও রয়েছে। প্রত্যেক রুমের সাথেই কমপ্লিমেন্টারি বুফে ব্রেকফাস্ট প্রযোজ্য। রয়েছে ফ্রী ওয়াই-ফাই। সুইমিংপুলটি শুধুমাত্র এক্সিকিউটিভ ও প্রিমিয়াম রুমের জন্য কম্পলিমেন্টারি, বাকি রুমগুলোর জন্য চার্জ প্রযোজ্য। এছাড়া আরও বিস্তারিত জানা যাবে “সাইরু হিল রিসোর্ট” এর ওয়েবসাইট এ।