পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেন এখন ময়মনসিংহবাসীর মুখে মুখে

মোঃকামাল ( ময়মনসিংহ) ঃঃঈদুল ফিতরে তার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড সেই সাথে আইন প্রশাসনের দিক নির্দেশনা দিয়ে জেলাকে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে, তা এই জেলার সকলের কাছে প্রশংশনীয়। ঈদে অসহায়, পঙ্গু, বিধবা ও এতিমসহ মানুষদের মাঝে তিনি শাড়ী, লুঙ্গি পাঞ্জাবী ও ঈদের খাদ্য সামগ্রী যেমন, আতপ চাউল, সেমাই, দুধ-চিনিসহ একজন পরিবারের ঈদ করতে নূন্যতম যে সামগ্রী গুলো প্রয়োজন সেটুকু তিনি দিয়েছেন হাজারো মানুষের মাঝে।

বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ অভিভাবক আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারীর নির্দেশে সারা বাংলাদেশে পুলিশের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তার এই সেবা মূলক কাজটুকু করেছেন। সত্যিই তা আজ দেশবাসীর কাছে প্রসংশনীয়। সেই সাথে দেশ জুড়ে প্রতিটি থানায় আয়োজন করা হয়েছে রমজান মাস উপলক্ষ্যে হাম-নাথ ও কেরাত প্রতিযোগীতা। রমজান মাস আল্লাহর এবাদত ও বন্দেগীর মাস, রোজা শেষে আনন্দের ঈদ।

এই ঈদে জনপ্রতিনিধিদের তেমন একটা এই সকল কাজ করতে দেখা যায় নাই, ঠিক তখনই বাংলাদেশ পুলিশের ভিন্ন চিত্র দেখতে পেলেন দেশের সকল অসহায় শ্রেণীর মানুষ। পুলিশ প্রতিটি কাজে ডকোমেন্ট তৈরী করে রেখেছে, এর জন্য তারা প্রতিটি কাজে বাংলার ৩য় চোখ সাংবাদিকর্দেও দাওয়াত করেছে। এই সেবা মূলক কাজ গুলো অংশীদার হতে এবং সকলের সামনে প্রকাশ করতে।

সেই সাথে লাখো মানুষের ঢল সামলাতে মহাসড়কে এসপি আবিদ নিজেই ছিলো এক বিরামহীন প্রহরী । ছুটে বেড়িয়েছেন নগরীর একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। নিজেও ছুটেছেন সেই সাথে তার দলকে নিয়ে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আমিন ওসি কোতোয়ালী মাহামুদুল ইসলাম, ডিবির ওসি শাহ কামাল আখন্দ। প্রচন্ড রোদে ভেপসা গরম, ধুলো-বালুতে একাকার তারর্পও থেমে নেই তাদের পথ চলা।

সকাল থেকে গভীর রাত, ঈদের দুইদিন আগে সারারাত ছিলো না জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ অভিভাবক পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনের চোখে ঘুম। মানুষের সেবায় নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত করে গেছেন। ছিলো না নগরীতে চুরি-ছিনতাই সেই সাথে যানজট। জেলাবাসী করেছে শান্তিতে ঈদ প্রশংসায় ভাসছে পুলিশ সুপার সকল দিক নির্দেশক ও টিম লিডার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন সত্যিই আজ জেলাবাসীর মন জয় করেছেন।