শেষবারের মতো দেখতে রংপুরের সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা


সোমবার সকাল থেকেই রংপুর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এরশাদের জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য দলের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি রংপুর বিভাগের বাকী সাত জেলা ও তৎসংলগ্ন উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রিয় নেতার মৃত্যুর মাগফিরাত কামনা এবং জানাজায় শরিক হওয়ার জন্য আহ্বান জানান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রংপুর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আব্দুল বারী জানান, ইতোমেধ্যেই পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, বগুড়া রাজশাহী, সিরাজগঞ্জসহ দূরের জেলাগুলো থেকে লোকজন আসতে শুরু করেছে। বাকী জেলাগুলোর লোকজন ও সর্বস্তরের মানুষ আগামীকাল সকালের মধ্যে চলে আসবেন।

প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে রংপুরের সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির এই নেতা বলেন, ‘রংপুর জেলা স্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে লোকজনের কথা বিবেচনা করে রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, ক্রিকেট গার্ডেন ও পুলিশ লাইন্স মাঠ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে এরশাদের মরদেহ রংপুরে নেয়া হবে। সেখানে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বাদ জোহর তার চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ আবার ঢাকায় আনার কথা রয়েছে এবং ওইদিনই বিকেলে ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে এরশাদের লাশ দাফন করার কথা রয়েছে।

এদিকে জীবন থাকতে এরশাদের মরদেহ রংপুর থেকে ঢাকা নিয়ে যেতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘রংপুরে জানাজা শেষে যদি লাশ ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করা হয় তাহলে রংপুরের নেতাকর্মীরা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে হলেও সে চেষ্টা প্রতিহত করবে।’24livenews