ভালুকায় ৫ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষনের ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে গ্রেপ্তার ০২

মোঃ নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় ক্বওমি মাদ্রাসার ৫ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে পুনরায় শারিরিক মিলনে রাজি না হওয়ায় আগের ধর্ষনের ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গৌরিপুর গ্রামে। ঐ ঘটনায় ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার ধর্ষনের শিকার মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় হবিরবাড়ীর পাড়াগাও গৌরিপুর গ্রামের জবান মুন্সির ছেলে মারুফ (১৭) ও ফজলুল হকের ছেলে আতিকুল ইসলাম (২১) কে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পাড়াগাও গৌরিপুর গ্রামের ধর্ষনের শিকার ৫ ম শ্রেনীর ক্বওমি মাদ্রাসার ছাত্রী মাদ্রাসায় আসা যাওয়ার সময় মারুফ উত্যক্ত করতো। গত ১৫ই এপ্রিল মেয়েটির বাড়িতে কেউ না থাকায় সুযোগ বুঝে ধর্ষক মারুফ মাদ্রাসার ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে । ঐ সময় মেয়েটার চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা এসে মেয়েটাকে অচেতন অবস্থায় পায় কিন্তু ধর্ষক মারুফ আগেই পালিয়ে যায়!

এ ঘটনার সূত্র ধরেই একই গ্রামের আতিকুল ইসলাম মেয়েটিকে জানায় সে মারুফের সাথে যে শারিরিক মিলন করেছে তা সে জানে এবং তার সাথে শারিরিক মিলন না করলে সে প্রকাশ করে দিবে! গত ২৮ মে আতিকুল মেয়েটিকে জোরপূর্বক তার ঘরে নিয়ে যায়! সেখানে আগে থেকেই মারুফ অবস্থান করছিলো। পরে তারা দুইজন মিলে মেয়েটিকে পালাক্রমে জোরপূর্বক একাধিক বার ধর্ষন করে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষক মারুফ ও আতিকুল পূনরায় মেয়েটিকে ধর্ষনের প্রস্তাব দিলে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় একাদিক ব্যক্তিকে তারা আগের ধর্ষনের ভিডিও ফুটেজ দেখায়!

এ ঘটনায় ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মেয়েটির বাবা। অভিযোগের পরপরই আসামি মারুফ ও আতিকুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মাইন উদ্দিন জানান, ঘটনার অভিযোগের পরপরই পুলিশ আসামি দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।