ভালুকায় করোনা প্রতিরোধে অবদান রাখায় বিল্লাল মেম্বার অনলাইন জরিপে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত

মোঃ নাজমুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান -১ জহিরুল হক বিল্লাল মেম্বার করোনা কালে বিশেষ অবদান রাখায় অনলাইন জরিপে করোনার পুরুষ্কারের তালিকায় নাম আসে ও সংগঠন কর্তৃক করোনাযোদ্ধার আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট প্রাপ্ত মনোনীত হন।

নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ এসোসিয়েশন সরকারী ত্রাণের সুস্ঠ বন্টন, ব্যক্তি উদ্যোগে অর্থ দান, সামাজিক সচেতনতা ও মাঠ পর্যায়ে মানুষের কল্যানে কাজ করার জন্য এই বিশেষ সার্টিফিকেট প্রদানে হবিরবাড়ীর কৃতি সন্তান কাশর ওয়ার্ডের মেম্বার জহিরুল হক বিল্লালকে মনোনীত করেন।

নেপাল-বাংলাদেশ ফেন্ডশীপ এসোসিয়েশন সংগঠনের বাংলাদেশ আহবায়ক ইমদাদুল হক তৈয়ব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং অতি দ্রুত প্রতিনিধির মাধ্যমে এই সার্টিফিকেট পৌছে দেওয়া হবে বলে জানান। নেপাল সরকার অনুমোদিত সংগঠন নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ এসোসিয়েশন অনলাইন জরিপের মাধ্যমে নেপাল ও বাংলাদেশের করোনাযোদ্ধার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ইতোমধ্যেই অনেকেই পেয়েছেন।

করোনার দিনগুলোতে মেম্বার, চেয়ারম্যান ও গুটি কয়েক জনপ্রতিনিধিদের অসৎ কাজের জন্য গোটা সমাজটাকে অস্থিতিশীল অবস্থায় ফেলে দিয়েছিলো কিন্তু কিছু সৎ মানবিক জনপ্রতিনিধিরা করোনায় দেশের অসহায় মানুষের পাশে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সর্বদাই! এই সার্টিফিকেট যারা ভালো কাজ করেছে তাদের সমাজসেবা করতে নিঃসন্দেহে আরও বেগবান করবে এবং তাদের মুখ উজ্জল করবে।

ময়মনসিংহেরর ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল হক বিল্লাল। ছোট বেলা থেকেই সমাজের পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং মিলে মিশে থাকার চিন্তা ভাবনা করতেন।

জহিরুল হক বিল্লাল ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৯১ সাল হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের ওয়ার্ড কমিটির সাধারন সম্পাদক ও ২০০১ সালে ইউনিয়ন কমিটির সস্পাদক এবং ২০১৫ সালে ভালুকা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুনামের সঙ্গে দলের সঙ্গে করছেন। তার সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দ্বায়িত্ব পালনের পুরুস্কার হিসাবে ২০১৮ নবগঠিত ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটিতে দ্বায়িত্ব পান।

দেশের কল্যানে কাজ করতে জনগনের মতামত নিয়ে ২০১০সালে ১ম ও ২০১৬ সালে ২য় বারের মতো হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে তিনি কাশর ওয়ার্ড থেকে মেম্বার নির্বাচিত হন। সৎ নির্ভীক ও জনগনের প্রতি তার ভালোবাসার মনোভাব দীর্ঘ পথ চলায় তার জনপ্রিয়তায় এতটুকু কমতি পড়েনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও দুই দফায় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার হিসাবে সততা, আন্তরিকতা, দক্ষতা ও গুরুত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, পরোপকার ও মানুষের কল্যাণে সদা প্রস্তুত থাকেন এবং করে যাচ্ছেন। করোনার দিনগুলোতে একজন ওয়ার্ডের মেম্বার হিসাবে তিনি দিনরাত শিল্পনগরী হবিরবাড়ীর মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন। করোনার দিনগুলোতে তিনি তার ওয়ার্ডের অসহায় খেটেখাওয়া দিনমজুর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার পৌছে দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ওয়ার্ডের প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে করোনার সময় বিভিন্ন সরকারি দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। কাজ করেছেন সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে, লক-ডাউন কার্যকরে তিনি মানুষকে উদ্ভুদ করেছেন সর্বোচ্চ বেশি যার জন্য তিনি অনেকের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন!

জহিরুল হক বিল্লাল জানান, আমি জনগনের কল্যানে কাজ করে যেতে চাই আমৃত্য। করোনার দিনগুলোতে সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে, স্বাস্থ্য বিধি মেনে, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচলের অনুরোধ করেন।