ফুলবাড়ীয়ায় দুই ভাইয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধ থানার ওসির ভূমিকা খতিয়ে দেখার আহ্বান

 


রবীন্দ্র নাথ পাল: ফুলবাড়ীয়ায় বাকতা ইউনিয়নের কৈয়েরচালা গ্রামে দুই ভাইয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ওসি ফিরোজ তালুকদারের ভূমিকা এবং একটি পরিবারের ৭জনকে আসামী করে ৩জনকে জেলে পাঠিয়ে ৩১ জুলাই জমি দখলে প্রতিপক্ষ কে সহায়তার যে ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিলেন, তা মাননীয় পুলিশ সুপার তদন্ত করে দেখবেন-সেটাই প্রত্যাশা।

কেন আশরাফ আলীকে দুদিন থানায় আটক রাখা হলো এ প্রশ্নটি আমি রাখছি। পাশাপাশি জানতে চাচ্ছি ২০জুলাইয়ের ঘটনা থানা থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দুরত্বের মামলার আসামী ধরতে যদি আটদিন লাগে তবে ১লা আগষ্ট প্রথম আলোয় প্রকাশিত ৩ মাসেও শিশু হত্যা মামলার আসামী না ধরাটাই স্বাভাবিক হতেই পারে। কারন শিশু হত্যার ঘটনাটি তার চেয়েও দূরের।

২০ জুলাই এর ঘটনা,২৬জুলাই আশরাফকে আটক করে দুদিন থানায় রেখে শুধু জমি ফেরতের চাপ দিয়েই খান্ত হননি ওসি ফিরোজ তালুকদার। তার ছেলে পিতাকে দেখতে এলে তাকেও আটক করে ,মেয়ে সখিনা আটক পিতাকে খাওয়াতে এলে তাকে ও আটক করে যে বিশাল চাপ সৃষ্টি করার নেপথ্যে যে রহস্য(!) আছে সেটা উর্দ্ধতন কর্তৃপরে তদন্ত হলেই বের হবে। ৮জনকে আসামী করলে বাকী ৫জন সোজা আদালতে গিয়ে ৩০জুলাই সারেন্ডার করে জামিনে চলে আসেন। আশরাফ আলীরা ৩ভাই। দুইভাই না,৩ ভাই। সবার ছোট হযরত।

তাছাড়া ওসি যার পে এত খাটলেন সেই সফর আলীর ছেলে বিল্লাল হোসেন থানায় যে দরখাস্ত দিলেন,সেটার কোন তারিখ উল্লেখ নেই কেন এ প্রশ্নটা অবান্তর নয়।

ওসি ভেবেছিলেন,সবাই যখন জেলে ও আদালতে দৌড়াদোড়ৗ করবে, তখন তার প সফর আলী গংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে জমি বেদখল দিয়ে দিবে। এতে আশরাফ আলীর আমও যাবে,ছালাও যাবে। কিন্তু বিধি বাম। ঐ দিনই বা কেন স্বয়ং পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন অতি: পুলিশ সুপার এসএম নেওয়াজী, ডিবি পুলিশের ওসি শাহ কামাল হোসেন আছিমে সচেতনতা সভার জন্য সেই কৈয়েরচালা পথ ধরেই যাবেন। কথায় বলে পড়বি পড় মালির ঘাড়ে। পুলিশ সুপার কৈয়ের চালাদিয়ে আছিমে যাওয়ায় ওসি ও সফর আলীর মনোবাসনা পূর্ন হলোনা-এই দু:খে অনেকের অন্তরে জ্বালা উঠেছে। তাই পত্রিকার সংবাদ নিয়ে অনেকে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। ফেসবুকে লিখছেন।এদিকে ৩১শে জুলাই আশরাফ আলী,তার ছেলে ও মেয়ে জামিনে গেল,অথচ করিৎকর্মা ওসি ফিরোজ তালুকদার এজাহারে বর্নিত বিল্লাল হোসেনের মায়ের সাড়ে ৩ভরি সোনা উদ্ধার করতে পারলো না। এটা কি তার ব্যার্থতা নয়।

আমাদের প্রত্যাশা থাকবে,যেহেতু স্বয়ং পুলিশ সুপার মাল ভর্তি আটক ট্রলি থানায় পাঠিয়েছেন, তিনি একটি সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি নিরপে তদন্ত করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।ওসি ফিরোজ তালুকদারে ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক।