ত্রিশালে সাবেক এমপি ময়েজদ্দিন আহম্মেদের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

ফকরুদ্দীন আহমেদঃঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি ময়েজদ্দিন আহম্মেদের যথাযথ মর্যাদায় মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেছে ত্রিশালের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

২৮আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়,এই গুনি ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করে আলোচনা ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করা হয়। অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন শামীমের সঞ্চালনায় অলোচনায় অংশ নেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফকরুদ্দীন আহমেদ, বাগান আলিয়া মাদ্রারসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার সাদাত জাহাঙ্গীর, ত্রিশাল উপজেলা হেল্পলাইনের সভাপতিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

এ সময় বক্তারা তাদের আলোচনায় বলেন,১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান আলাদা হওয়ার পর তৎকালীন পৃর্ব পাকিস্থানের যারা নেতৃত্ব দিতেন তাদের মাঝে ত্রিশালের সন্তান ময়েজদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি। শেরে বাংলা ফজলুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের খুব কাছাকাছি ব্যক্তি ছিলেন এই প্রয়াত এমপি ময়েজউদ্দিন আহমেদ।তাইতো ১৯৫৪ সালে সেও এমপি ছিল।

এই ময়েজদ্দিন আহম্মোদ কেন্দ্রীয় থেকে শুরু করে একে বারে নিজের এলাকা পর্যন্ত নেতৃত্ব দিতেন। প্রতিবাদী প্রজ্ঞা, ন্যায়-নীতি ও খাটি বাংঙ্গালীর আদর্শ নিয়ে বাংলা জয়ের স্বপ্নে সেও ছিল সাহসিক স্তম্ভ। বঙ্গবন্ধু মুজিব তাঁর মাঝে এটা দেখতে পেয়ে বন্ধুত্বের বন্ধন করতে ভূল করেন নি। তাই শেখ মুজিবুর রহমান ময়মনসিংহে আসলে খাবরের স্থান ছিল ময়েজদ্দিন আহমেদের বাসায়। আজ সময়ের ব্যবধানে বন্দী ইতিহাস খূজিনা কেউ। ইতিহাসের পাতায় বহু কিছু ঢাকা রেখেই ছুটে চলছি নতুন স্বপ্নের আশায়। আমরা অতি সহজেই মুছে দিতে পারিনা তাদের বহু বছর আগে থেকেই পরিকল্পনা, ত্যাগ আর বুক ভরা স্বপ্নের ফসল আজকের এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মুুল ব্যক্তিদের। আমরা তাদের ভূলবো না। সত্যই ময়েজদ্দিন আহমেদ ছিলেন ত্রিশালের গর্বের ধন।