ময়মনসিংহের ত্রিশালে সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তায় বিদ্ধমান মেয়র আনিছ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহ বিভাগে কবি কাজী নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ন অঞ্চল  ত্রিশাল উপজেলা। বাংলাদেশের গর্বিত অনেক সাংবাদিক, রাজনীতিক ও সাহিত্যিকের জন্ম এই অঞ্চলটিতে। সময়ের পালা বদলে বদলে গেছে ভৌগলিক অবস্থান বেড়েছে গ্রহনযোগ্যতা ।রাজনৈতিক অবস্থানের দিক থেকে ত্রিশাল অত্যন্ত গুরুপূর্ন ভূমিকা পালন করছে বংলাদেশের রাজনীতিতে।আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসাবে পরিচিত এই অঞ্চলটিতে একের পর এক রাজনৈতিক নেতার জন্ম কিন্তু যারা কিছু উন্নয়ন ও ভালবাসা দিয়ে যেতে পেরেছে তাদের সারা জীবন মনে রাখবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

এত রাজনৈতিক নেতাদের আসা যাওয়ায় ঠিক কতজনের ভাগ্যে মানুষের ভালবাসা মিলেছে তা বলা কঠিন নয় এখন । আমার কথা নয় মানুষের দেয়া জবানবন্দিতে উঠে আসে একটি নাম । যিনি তৃনমূল রাজনীতি থেকে ধাপে ধাপে জনগণের ভালবাসা বিশ্বাসকে মূল্যায়ন করে আজ প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদ।

যিনি গত দুই যুগেরো বেশি সময় ত্রিশালের সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করা এক জন। যার প্রমান মানুষ দিয়েছে ভোটের মাধ্যমে । পর পর দুইবার তাকে জনগণের সেবক হিসাবে মনোনীত করেছে। আপনাদের মনে হতে পারে দুটি নির্বাচন খুব সহজ ছিল । কিন্তু না এই নির্বাচন গুলোই প্রমান করে তিনি  কতাটা  জনপ্রিয়,আস্থাবাজন,বিশ্বাসী এবং যোগ্য। তিনি মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ।

তিনি মূলত তার রাজনৈতিক দল ছেড়ে নির্বাচন করেননি। মূল দলের ভূল দেখিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে, জনগণের ভালবাসায় নিজেকে তাদের সেবক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। জনগণের ভালবাসাকে সাথে রেখে তিনি প্রমাণ করেছেন ইচ্ছা থাকলে সম্ভ্ব তার প্রমাণ ত্রিশাল পৌরসভা।

এ নেতা ১৯৭৫সালের পর তাঁর পিতা ত্রিশাল আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল হোসেন চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ছাত্র। পিতার আদর্শে আদর্শিত রাজপথের সূর্য সৈনিক হয়ে ১৯৮০সালের পর বিভিন্ন সরকারের বিরোদ্ধে রাজপথেই লঁড়াই করেছেন। ঘর ছেড়েছেন বহুবার তবে রাজপথ ছাড়েননি কখনোই।

তিনি ছাত্রলীগ, যুবলীগ এর পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে । কারন তার রাজনীতিক জীবনে মানুষের পাশে থেকে তিনি অর্জন করেছেন মানুষের ভালবাসা আর জনগণের কি চাহিদা।  বহু ঘাত-প্রতিঘাত. পেড়িয়ে ত্রিশালের সারা এলাকা জুড়েই সৃষ্টি করে তুলেছেন জনপ্রিয়তা।

১৯৯৬সাল থেকে সকল নির্বাচনে প্রমান করেছেন তার জনপ্রিয়তা মানুষের ভালবাসা আর  খাটি রাজনৈতিকবিদের। মেয়র আনিছের তোখর বুদ্ধীদিপ্ততা আর পরিচালনায় নিজ দলের একের পর এক জয় আসে জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে প্রতিটি নির্বাচনে । জনপ্রতিনিধিত্বে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে উন্নয়ন ও জনসেবায় জেলার শ্রেষ্ট মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু পৌরসভা নয় যদি দল নিরপেক্ষ ভাবে যাচাই করেন, তাহলে ত্রিশাল উপজেলার শ্রেষ্ট জননেতার পুরস্কার পাবেন তিনি।

মুজিব আদর্শে দলের দূঃসময়ে হাজার হাজার ত্যাগী নেতা ও কর্মীরা দাবী নিয়ে বসে আছেন। যোগ্য নেতা মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আআনিছুজ্জামান আনিছের কাছে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব আসুক । আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন হবে, দল হারানো ঐতিহ্য ফিড়ে পাবে।