ত্রিশালে বঙ্গবন্ধু’র নামের ভূল তিন মাসেও চোখ পরলোনা দায়িত্ব জ্ঞানহীন বিদ্যুৎ কর্মকর্তার

বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ত্রিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগে মার্চ মাসে টানানো হয় ব্যানার
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ত্রিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগে মার্চ মাসে টানানো হয় ব্যানার

 ত্রিশাল প্রতিদিন ডেস্কঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ত্রিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগে টানানো ব্যানারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের বানান প্রসংঙ্গে এলাকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে  সমালোচনার ঝড় বইছে,ফেসবুকে নানা ধরনে মন্তব্য করছেন বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলের অনেকেই।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ত্রিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগে মার্চ মাসে টানানো হয় ব্যানারটি কিন্তু তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও নজরে আসেনি কারোর।

ত্রিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসার সাথে সাতে জুন মাসের শেষের দিকে ব্যানারটি নামিয়ে দেই।

ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের কাছে বার বার মোবাইলে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এতো গেল উনাদের উক্তি তথা স্বিকারোক্তি। এখন সাধারন জনগনের হিসাবটা উল্ট করে করি- তা হলো এই অফিস গুলোতে এখন যাদের বসবাস তারা কতটা দায়িত্ববান জনগণের মনে প্রশ্ন ? চলমান করোনা পরিস্থিতির মাঝেও মানুষে মানুষত্বহীনতা বিলোপ্ত বিবেক সমাজ তথা বিশ্ববাসির কাছে বাংলাদেশকে কতটা নীচে নামিয়ে আনা হচ্ছে তা ভাবনার বিষয়।

আমরা হয়তো বিষয় গুলো নিয়ে বেশী লিখছি তাতে প্রশাসন ও সরকারের কিছু আসবে যাবে না। তবে আমরা বা আমাদের মতো যারা লিখছে সরকারের উচিৎ খতিয়ে দেখা। তাতে জনগণে চাহিদা সব পূরণ না হলেও কিছুতো হবে তাতে সরকারের ভাবমূর্তি উন্নত হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমাকে একজন অবগত করেছে। বিষয়টি দুঃখজনক, দায়িত্বহীন ভাবে ব্যানার টানানো ঠিক হয়নি।

আসল কথায় আসা যাক, বঙ্গবন্ধু’র জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ত্রিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগে টানানো ব্যানারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের বানান ভূল। কেন হলো তার উত্তর হয়ত এভাবে হবে-   উনার শিক্ষার অভাব বা তিনি এ কাজের জন্য মন থেকে কোন তদারকি করেন নি । উনার পদের উপর জনগণের অনেক প্রশ্ন যার উত্তর নাই। কিন্তু কেন তা হলো কারন এই পদের উপরে যারা তারাও প্রশ্নবিদ্ধ।

প্রতিবছর জনগনের কোটি টাকা আর সরকারের শত কোটি টাকা কোথায় যায় ? ভাবনার শেষে ভাবনা এটাই নিজেকে কিছু হতে হবে তার জন্য সরকার, জনগণ, সর্বপরি দেশ তাদের কাছে কিছুইনা। আর তাদের উদাসিনতা আজ কতটা নিচে নিয়ে গেছে ।উনার দায়িত্ব ছিল ব্যানার লাগানোর আগে তা পড়ে দেখা। কিন্তু তিনি তা করেননি দীর্ঘ তিন মাস তার চুখের সামনে থাকার পরেও একবার পড়ে দেখার প্রয়োজন মনে করেনি।

তার এই দায়িত্বহীনতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের ভূল কতটা লজ্জীত করে তা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। আমরা বলবনা তিনি কোন দলের সমর্থন করেন । তিনি যাই করোকনা কেন তার শিিক্ষার প্রয়োজন অবশ্যই।আমাদের দৃষ্টি তাদের দিকে যারা এর পক্ষে বা বিপক্ষে।চাই এর উদাসিনতা,দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মের কর্মফল।