ত্রিশালের রাজনীতিতে মেয়র আনিছের ভূমিকা

ত্রিশালের রাজনীতিতে মেয়র আনিছের ভূমিকা

শফিউল অজম বিপুঃঃ ত্রিশালের সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে আমার এ লেখা একান্তই আমার নিজের অভিমত তাতে কেউ কষ্ট নিবেন না। অপ্রিয় হলেও সত্য যে অনেক  প্রশ্নের উত্তর আমাদের মনেই ঘুরপাক খায়।কিন্তু এর জবাব আমরা কারো কাছে খুজি না। কিন্তু মাঝে মাঝে উত্তর গুলো যখন সাধারণ মানুষের মাঝে খুজে পাই তখন ভাবতে ভালই লাগে।

তেমনি এক প্রশ্ন ত্রিশাল পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত মেয়র,উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ কে নিয়ে।

ত্রিশালের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মেয়র আনিছের অবদান কি?

১৯৮০সালে  আনিছুজ্জামান আনিছ সেনা শাসকের বন্দুকের নলের ডগায় বুক পেতে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিড়ে আসার আন্দোলনে স্লোগান ধরতেন জয়বাংলার ।এই জয় বাংলা স্লোগানে কিশোর বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যোদ্ধা আনিছুজ্জামান ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন, উপজেলা যুবলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন দের যুগ, সারা ত্রিশাল ব্যাপী যার পরিচিতি হয়ে উঠেছিল এক প্রকৃত মেধাবি রাজনীতিবিদ হিসাবে । যার মেধাকে রাজনৈতিক পালা বদলের সাথে সাথে কাজে লাগিয়েছে বর্তমান ত্রিশাল আওয়ামী রাজনীতির ধারকেরা।

আনিছুজ্জামান আনিছের ভুমিকা বিগত সময়গুলতে তাই প্রতীয়মান হয় বা দেখেছি। আমাদের মাননীয় এমপি আলহাজ্ব মাওঃ রুহুল আমীন মাদানী সাহেব প্রথমবার যখন এমপি হন তখন মেয়র আনিছের ভুমিকা তিনি অস্বীকার করতে পারবে না। এবারও যখন মাদানী সাহেব এমপি হলেন তখন মাদানী সাহেব নিবার্চনী সভায় লোক সমাগম দেখে বলেছিলেন ” কি দেখাইলা আনিছ ভাই,,,,,,,,,,””। মাঝে আব্দুল মতিন সরকার সাহেব যখন এমপি হলেন তখনও মেয়র আনিছের ভূমিকায় তিনি বিপুল ভোটে এমপি হোন। পরবর্তীতে রেজা আলী সাহেব যখন এমপি হলেন তখনও দেখেছি মেয়র আনিছের ভূমিকায় রেজা সাহেবও বিপুল ভোটে এমপি হোন। পরবতীর্তে জোটের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এম,এ, হান্নান সাহেবের সময় মেয়র আনিছের ভুমিকায় তিনিও লাঙ্গল নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

এবার আসি উপজেলা চেয়ারম্যান নিবার্চনেঃ সাবেক এমপি বতমার্ন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার সাহেবকে এবার উপজেলা চেয়ারম্যান বানাতেও মেয়র আনিছের ভূমিকা দেখেছি। গতবার দলীয কোন্দলের কারণে ওনাকে ঘোড়া প্রতীকে বিজয়ী করতে না পারলেও এবার দলীয় প্রতীকের বাইরে ম্বতন্ত্র আনারস প্রতীক দিয়েই বিপুল ভোটে জয়ী করান। কিন্তু যাদের কে তিনি বিজয়ী করান আবার তাদের কাছ থেকে তিনি দূরে সরে যান বা (নিন্দুকদের মতে) তাড়িয়ে দেন। তখন ওনারা উল্টো পথে বা উল্টো কথা বলেন।

ওনারা এমপি চেয়ারম্যান হতেই কি মেয়র আনিছকে ব্যবহার করেন নাকি মেয়র আনিছের সরলতার সুযোগ ওনারা গ্রহন করেন? অনেকদিন এ প্রশ্নের উত্তরটি খুঁজে কোন উত্তর পাইনি।

ত্রিশালের রাজনীতিতে কখন যে কে কার (!) বুঝা মুশকিল? যখন কাছে থাকেন তখন ফেরেস্তা আর দূরে গেলে শয়তান। হা হা হা।বিষয়টি অসমাপ্তই রাখলাম আরো লিখবো বলে। আমার লেখায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজের মহৎগুণে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন-ধন্যবাদ।