ত্রিশালের বৈলর থেকে ফুলবাড়িয়া সংযোগ রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ

 আল মামুনঃ  ত্রিশালের বৈলর থেকে ফুলবাড়িয়া সংযোগ রাস্তা যেমন মরণফাঁদ টেন্ডার হলেও কাজের নেই কোন অগ্রগতি।ত্রিশাল উপজেলার বৈলর হইতে পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়িয়া উপজেলা এলজিইডির সংযোগ রাস্তা ।ঢাকা থেকে ত্রিশালের প্রতন্ত অঞ্চল সহ পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়িয়া উপজেলায় যাতায়াতের গুরুত্বপূ্ণ রাস্তা এটি। যোগাযোগের এই গুরুত্বপূ্ণ রাস্তাাটি অবহেলায় ,মেরামতের অভাবে জন ও যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে,নিত্যদিন ঘটছে নানা দূর্ঘটনা পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে ।

রাস্তাটির এ অবস্থা প্রায় ০৫ বছর এর বেশী সময় ধরে চলছে।কিছু অংশে মাটি খুড়ার কাজ করে তা বন্ধ হয়েছে অজানা কারণে।নানা প্রতিকুলতার পরেও চলছে গাড়ি আরও নষ্ট হচ্ছে রাস্তা সাথে যা এখন অপেক্ষা বড় কোন দূরঘটনার।তবেই টনক নড়বে কর্তৃপক্ষের।

গুরুত্বপূ্ণ রাস্তাটিতে মাছ সহ নানা রকম পন্যবাহী গাড়ির যাতায়াত সহ দুই উপজেলার প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয়তা পূর্নকরে আসছিল এত দিন।মাছের গাড়ি চলাচলের ফলে  রাস্তাটিতে সারা বছর বর্ষাকাল থাকে । তবে সবচেয়ে অবাক বিষয় হলো এই রাস্তা ধরে রয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আলীর খামার বাড়ি, উনার হরহামেশা আশা যাওয়া এই রাস্তায়, কিন্তু তার চোখে এত দিন কেন পড়েনি তা জনগনের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দেয়।যাদের কাজ ছিল জনগণর সমস্যাগুলোকে সমাধানের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।ক্ষমতার পালা বদলে তারা নিজেরাই আড়াল করে দায়ভার থেকে।এখন ২০২০ উন্নয়নের পসরা বসেছে সারাদেশে কিন্তু কালের ছোয়া লাগেনি এ রাস্তায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে দৃষ্টি গুচর না হওয়ায় এলাকার মানুষ গুলোকে দেখলেই বুঝাযায় কতটা অসহায় ।

ধানীখোলা বাজার হইতে ফুলবাড়িয়া রাধাকানাই ইউনিয়নের সীমানা পর্যন্ত রাস্তাটির মধ্যে শুধু ত্রিশাল উপজেলার অংশটুকুই ছোট বড় গর্তের ভিতরে পানি জমা থেকে শুরু করে কাদায় যানবাহন আটকসহ মানুষের হেঁটে যাওয়ার মত ভাল রাস্তা নেই। একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন তো দূরের কথা সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেয়।

যেকোনো সময় যানবাহন উল্টে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এখন জনদুর্ভোগের চরম আকার ধারণ করেছে এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি।