ত্রিশালের আকাশে তাকালেই চোখে পরে রঙবেরঙের ঘুড়ি

ত্রিশালের আকাশে তাকালেই চোখে পরে রঙবেরঙের ঘুড়ি

শামিম ইশতিয়াক:: ঘুড়ি নিয়ে রচিত হয়েছে অনেক গান কবিতা গল্প, বাস্তবেও ঘুড়ি উড়াতে কিংবা ঘুড়ি উড়ানো দেখতে পছন্দ করে অনেকে, শখের কাতারে থাকা কাজগুলোর মাঝে ঘুড়ি উড়ানোটাও কারো কারো শখ, ঝিরিঝিরি বাতাসে তাই এখন অনেকেই আকাশে উড়িয়ে দিচ্ছে রঙবেরঙের সব ঘুড়ি, ত্রিশালের আকাশটাও যেনো ব্যাতিক্রম নয়, তাকালেই চোখে ধরা দেয় হরেক প্রজাতির ঘুড়ি।

ঘুড়ি উড়ানোর ক্ষেত্রে বয়স যেনো কাওকে চিহ্নিত করতে পারেনা, নানান বয়সী মানুষ শখের বসে ঘুড়ি নিয়ে বসে চেয়ে থাকে আকাশপান, আবার সেখানে জটিকা ভীড় জমে ঘুড়ি গোট্টা খাওয়ার দৃশ্য দেখতে।

ত্রিশালের খোলা প্রান্তর থেকে ছাড়া হয় এসকল ঘুড়ি, কখনো রাস্তায় দাড়িয়ে উড়াতেও দেখা যায়, আবার বিলপাড়েও লক্ষ করা যায় ঘুড়ি চালানো দলকে, সজিব বাতাসে ঘুড়ি গুলো উড়ে মুক্ত পাখির মত, ঘুড়ির নামগুলোও অসাধারণ, তেলেংগা, চিলু, লন্ঠন, ডাম, সাপ, যদিও আঞ্চলিক ভাষায় নামগুলো আরো বিচিত্র।

করোনা কালিন সময়ে ঘুড়ি উড়িয়ে সময় কাটাতে জুড়ি নেই, অনেকেই বসে যাচ্ছে শখের ঘুড়িটি নিয়ে, আবার অনেকে কেটে যাওয়া নিজের ঘুড়িটির জন্য মন খারাপ করে বসে থাকে অন্যপাশে, যেনো ভালোবাসার এক অনন্য নাম ঘুড়ি।

ত্রিশালের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হতো ঘুড়ি উৎসব, বালিপাড়া, বইলর, কোনাবাড়ি, আউলটিয়া সহ বিভিন্ন গ্রামে চলত বিখ্যাত ঘুড়ি উৎসব, যদিও করোনার জন্য এবার উঠেনি উৎসবের রব, এসব উৎসব দেখতেও ভীড় জমাতো আশেপাশের উপজেলার মানুষ, কিন্তু বর্তমানে এই উৎসবটাও স্তব্ধ, তবুও বাঙ্গালী সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে ঘুড়ি বেচে থাকুক ঘরে ঘরে।