অতিরিক্ত নিমের রস পান করলে সমস্যায় পড়তে পারেন পুরুষরা, সতর্ক থাকুন

আজকাল তরুণ সমাজের মধ্যে ডায়াবেটিস সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। অগোছালো জীবনযাত্রা ও খাবারের প্রতি অযত্নের কারণে তরুণ অবস্থাতেই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করেছে। তাই, চিকিৎসকরাও খাদ্যের প্রতি সঠিক নজর দেওয়া এবং জীবনযাত্রা ঠিক রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। অনেকে আবার ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে নানান ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে, যেমন – ডায়াবেটিস এড়াতে নিম পাতা বা নিমের রস পান করা শুরু করেন। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন যে, পুরুষরা নিমের রস বেশি পান করলে তা ওষুধের পরিবর্তে বিষ হিসেবে কাজ করতে পারে। এটি অতিরিক্ত পান করলে তাদের স্পার্ম কাউন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

নিজেই ডাক্তার হয়ে উঠবেন না এমন অনেকে আছেন যারা চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে, এখান-সেখান থেকে কিছু শুনে নিজেই নিজের চিকিৎসা শুরু করে দেয়। চিকিৎসকের দেওয়া ঔষুধের মতোই ঘরোয়া টোটকা প্রয়োগেরও নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে। আন্দাজে কম বা বেশি মাত্রা গ্রহণ করলে তা শরীরের জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই, নিজেই নিজের উপর চিকিৎসা না করা ভালো।

নিমের রস প্রাকৃতিক ঔষধ, তবে বেশি পরিমাণে পান করা এড়িয়ে চলুন আমরা সবাই জানি যে, নিম একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। তবুও, সঠিক না জেনে নিজে থেকেই এটি ব্যবহার করা এড়ান। আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হন, তাহলে নিমের রস পান করা আপনার পক্ষে উপকারি হতে পারে। তবে বেশি পরিমাণে নিমের রস পান করলে সমস্যাও দেখা দিতে পারে। প্রয়োজনীয় পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে পান করলে আপনার স্পার্ম কাউন্ট সম্পূর্ণরুপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

কতটা পরিমাণ পান করা উচিত গবেষণা অনুযায়ী প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই, নিম পাতার রস বা নিম পাতা প্রতিদিন ২ মিলিগ্রামের থেকে কম গ্রহণ করা উচিত। তবে অবশ্যই এটি গ্রহণের আগে একবার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন। এছাড়াও, প্রতিদিন নিমের রস পান করা এড়িয়ে চলুন কারণ এটি আপনার যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে এবং অতিরিক্ত পরিমাণে পান করলে বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যাও হতে পারে।Boldsky